Bartaman Logo
২৩ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

পিছনের সিটে বসায় প্রাণে বাঁচেন অভিশপ্ত বিমানের দুই কর্মী

‘কী হয়েছে?’ ‘আমি কোথায়?’ জ্ঞান ফেরার পরে একথাই জিজ্ঞাসা করেছিলেন লি। রবিবার দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান বিমানবন্দরে দুর্ঘটনাগ্রস্ত জেজু এয়ারের বিমানের যাত্রী ছিলেন তিনিও। সেই বিমান দুর্ঘটনায় ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়। তবে আশ্চর্যজনকভাবে বেঁচে যান দুই বিমানকর্মী ৩২ বছরের লি এবং ২৫ বছরের কোন।

পিছনের সিটে বসায় প্রাণে বাঁচেন অভিশপ্ত বিমানের দুই কর্মী
  • ১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সিওল: ‘কী হয়েছে?’ ‘আমি কোথায়?’ জ্ঞান ফেরার পরে একথাই জিজ্ঞাসা করেছিলেন লি। রবিবার দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান বিমানবন্দরে দুর্ঘটনাগ্রস্ত জেজু এয়ারের বিমানের যাত্রী ছিলেন তিনিও। সেই বিমান দুর্ঘটনায় ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়। তবে আশ্চর্যজনকভাবে বেঁচে যান দুই বিমানকর্মী ৩২ বছরের লি এবং ২৫ বছরের কোন। কীভাবে এই অসম্ভব সম্ভব হল, তাই নিয়ে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এরমধ্যেই লি’র জ্ঞান ফেরার পর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।  জানা গিয়েছে, লি এবং নোন সেই অভিশপ্ত বিমানের পিছনের লেজের দিকের সিটে বসেছিলেন। তাই তাঁদের বেঁচে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। কোরিয়ান টাইমসের খবর অনুযায়ী, লির বাঁ কাঁধ ভেঙে গিয়েছে। মাথাতেও চোট লেগেছে। এখনও তার সম্পূর্ণ জ্ঞান ফেরেনি। অপর জীবিত কোনের মাথায় আঘাত লেগেছে। তাঁর কনুই ভাঙা। দুর্ঘটনার মুহূর্ত দু’জনের কেউই মনে করতে পারছেন না। তবে তাঁরা বিপন্মুক্ত বলে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে। বিমান প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্তরা মনে করেন, বাণিজ্যিক বিমানের লেজের সিটগুলিই সবচেয়ে নিরাপদ। ২০১৫ সালে টাইম ম্যাগাজিনের সমীক্ষাতেও পিছনের সিটগুলিকে নিরাপদ বলে জানানো হয়েছিল। টাইমের মতে, বিমান দুর্ঘটনায় সামনের সারির যাত্রীদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৩৮ শতাংশ, মাঝের সারির ক্ষেত্রে এই হার ৩৯ শতাংশ। সেখানে পিছনের সারির ক্ষেত্রে এই মৃত্যু হার অনেক কম, মাত্র ৩২ শতাংশ।
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ