নয়াদিল্লি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম পর্বে একসঙ্গে কাজ করার ‘সুখস্মৃতি’ এখনও উজ্জ্বল। সেই পুরনো ‘বন্ধু’র সঙ্গে বৈঠক করতে মুখিয়ে নরেন্দ্র মোদি। তার আগে অবশ্য অপর এক ‘বন্ধু’ তথা ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবারই পাঁচদিনের বিদেশ সফরে পাড়ি দেন তিনি।
Advertisement
প্যারিসে আয়োজিত আর্টিফিশিয়াস ইন্টেলিজেন্স অ্যাকশন সামিটে সহ-সভাপতিত্ব করার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ করেছিলেন ম্যাক্রঁ। আজ, মঙ্গলবার সেই সম্মেলনে যোগ দেবেন মোদি। বুধবার সেখান থেকেই মার্কিন মুলুকে উড়ে যাবেন মোদি। রওনা দেওয়ার আগে এদিন এক্স হ্যান্ডলে তিনি বলেন, ‘আমার বন্ধু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এই সফরের মধ্যে দিয়ে দু’দেশের বন্ধুত্ব যেমন আরও জোরদার হবে, তেমনই একাধিক ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। দুই দেশের মানুষের পারস্পরিক স্বার্থ ও বিশ্বের উজ্জ্বলতর ভবিষ্যতের জন্য আমরা একজোটে কাজ করব।’ আগের দফায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন তাঁদের একসঙ্গে কাজ করার সুখস্মৃতিও উল্লেখ করেন মোদি।
সূত্রের খবর, এই পর্বে মোদি-ট্রাম্পের বৈঠকে অনুপ্রবেশকারী প্রত্যর্পণ, শুল্কনীতির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে চলেছে বাংলাদেশও। একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, স্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে। সেক্ষেত্রে ইলেক্ট্রনিক্স, মেডিক্যাল, সার্জিক্যাল সামগ্রী সহ একাধিক ক্ষেত্রে কর ছাড় নিয়ে আলোচনা হতে পারে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে। আলোচনায় বাণিজ্য নিয়ে দুই পক্ষই নিজেদের দাবিতে জোর দেবে। তবে আমেরিকা আগামী ১০ বছরের জন্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ফ্রেমওয়ার্ক পুণর্নবীকরণের প্রসঙ্গটি তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে, দ্বিতীয় দফায় মসনদে বসেই অবৈধ অভিবাসীদের নিজের নিজের দেশে ফেরাতে তৎপর হয়েছেন ট্রাম্প। সেই অনুসারে প্রথম দফায় ফেরানো হয় সেদেশে অবৈধভাবে বসবাসকারী ১০৪ জন ভারতীয়কে। কিন্তু ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। পরবর্তী সময়ে তাঁদের যাতে সম্মানজনকভাবে দেশে ফেরানো হয়, সেই বিষয়টি বৈঠকে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন প্রাক্তন বিদেশ সচিব শ্যাম সারণ।
সূত্রের খবর, এই পর্বে মোদি-ট্রাম্পের বৈঠকে অনুপ্রবেশকারী প্রত্যর্পণ, শুল্কনীতির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে চলেছে বাংলাদেশও। একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, স্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে। সেক্ষেত্রে ইলেক্ট্রনিক্স, মেডিক্যাল, সার্জিক্যাল সামগ্রী সহ একাধিক ক্ষেত্রে কর ছাড় নিয়ে আলোচনা হতে পারে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে। আলোচনায় বাণিজ্য নিয়ে দুই পক্ষই নিজেদের দাবিতে জোর দেবে। তবে আমেরিকা আগামী ১০ বছরের জন্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ফ্রেমওয়ার্ক পুণর্নবীকরণের প্রসঙ্গটি তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে, দ্বিতীয় দফায় মসনদে বসেই অবৈধ অভিবাসীদের নিজের নিজের দেশে ফেরাতে তৎপর হয়েছেন ট্রাম্প। সেই অনুসারে প্রথম দফায় ফেরানো হয় সেদেশে অবৈধভাবে বসবাসকারী ১০৪ জন ভারতীয়কে। কিন্তু ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। পরবর্তী সময়ে তাঁদের যাতে সম্মানজনকভাবে দেশে ফেরানো হয়, সেই বিষয়টি বৈঠকে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন প্রাক্তন বিদেশ সচিব শ্যাম সারণ।



