Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

প্রোমোটিং সংক্রান্ত বিবাদে বাঁকড়ায় পার্টনারকে ছুরির কোপ, গ্রেফতার দুই

আর্থিক কারণে পার্টনারের সঙ্গে ঝামেলা চলছিল প্রোমোটারের। রবিবার গভীর রাতে মদের আসরে তা চরম আকার নেয়

প্রোমোটিং সংক্রান্ত বিবাদে বাঁকড়ায় পার্টনারকে ছুরির কোপ, গ্রেফতার দুই
  • ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: আর্থিক কারণে পার্টনারের সঙ্গে ঝামেলা চলছিল প্রোমোটারের। রবিবার গভীর রাতে মদের আসরে তা চরম আকার নেয়। তার জেরে পার্টনারের পেটে ছুরি চালানোর অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার বাঁকড়ার করাতকল এলাকায়। গুরুতর জখম অবস্থায় হাওড়া জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ব্যবসায়ী শেখ বশির। অভিযুক্ত প্রোমোটার ওয়াহাব মোল্লা ও এক মিস্ত্রিকে গ্রেফতার করেছে ডোমজুড় থানার পুলিশ। 

Advertisement

বাঁকড়ার করাতকল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রোমোটিং ব্যবসা করেন ওয়াহাব মোল্লা। গত চারবছর তার সঙ্গে পার্টনার হিসেবে কাজ করছেন শেখ বশির। টাকা পয়সার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বচসা চলছিল দু’জনের। সম্প্রতি বশির ওহাবকে এড়িয়ে চলতেন। স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে, এলাকারই একটি নির্মীয়মাণ বিল্ডিংয়ে রবিবার রাতে ওয়াহাব তার কয়েকজন বন্ধু ও স্থানীয় মিস্ত্রিদের নিয়ে মদের আসর বসিয়েছিলেন। মদ্যপানের পর ওয়াহাব বশিরকে ফোন করে সেখানে আসতে বলেন। দু’জনকে সঙ্গে নিয়ে বশির কিছুক্ষণ পর ওই নির্মীয়মাণ বিল্ডিংয়ে যান। সেখানেই ফের বচসা তুঙ্গে ওঠে দু’জনের মধ্যে। অভিযোগ, ওয়াহাব বারবার অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন বশিরকে। রাগের বসে বশির ওয়াহাবকে চড় মারেন। এরপরেই রাগের বশে পকেট থেকে ছুরি বের করে ওয়াহাব বশিরের পেটে চালিয়ে দেন। রক্তাক্ত অবস্থায় সেখানে লুটিয়ে পড়েন বশির। সঙ্গে থাকা দু’জন দ্রুত বশিরকে ডোমজুড় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বশিরকে হাওড়া জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সোমবার সন্ধে পর্যন্ত সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী শেখ রহিম ও শেখ খোকন বলেন, ‹ওয়াহাব বারবার বশিরকে গালিগালাজ করে উত্যক্ত করার চেষ্টা করছিল। কিন্তু সে এমন কান্ড ঘটিয়ে ফেলবে বুঝতে পারিনি। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।› রাতেই বাঁকড়া ফাঁড়ির পুলিশ অভিযুক্ত ওয়াহাব ও এক রাজমিস্ত্রিকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, টাকা পয়সার লেনদেন নিয়ে প্রায়ই ঝামেলা লেগে থাকত দুজনের মধ্যে। প্রমোটিংয়ের ব্যবসায় এই দুজন ছাড়াও আরও কয়েকজন রয়েছেন। হাওড়া সিটি পুলিশের এক কর্তা বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ