নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণ‑কাণ্ডের পর কলকাতা থেকে পালিয়ে নাম ভাঁড়িয়ে মুম্বইয়ের এক হোটেলে উঠেছিল অভিযুক্ত কাদের খান। বৃহস্পতিবার আদালতে সরকারি কৌঁসুলি আবুবক্কর ঢালি তাঁর সওয়ালে একথা বলেন। কলকাতার বিচারভবনের দ্বিতীয় ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারক শ্রুতিরূপা ঘোষ মাজির এজলাসে চলা এই মামলার সওয়ালে সরকারি কৌঁসুলির আরও মন্তব্য, সেখানে থাকাকালে একটি জিমেও এই যুবক অন্য নাম ব্যবহার করেছিল। পরে তদন্তে নেমে কলকাতা গোয়েন্দা পুলিশ ওই জিম ও হোটেল থেকে এই বিষয়ে নানা নথিও বাজেয়াপ্ত করে। আদালতে সেসব পেশও করা হয়। পরবর্তীকালে নির্যাতিতার যে সমস্ত মেডিকেল পরীক্ষা‑নিরীক্ষা করা হয়, এদিন সেই বিষয় নিয়েও সরকারি কৌঁসুলি নানা বক্তব্য পেশ করেন। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ১৪ সেপ্টেম্বর। সরকার পক্ষের বক্তব্য শেষ হলেই শুরু হবে অভিযুক্তদের তরফে সওয়াল। এদিন নির্দিষ্ট সময়ে প্রেসিডেন্সি জেল থেকে অভিযুক্ত কাদের খান ও মহম্মদ আলিকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানির শেষে কড়া পুলিশি প্রহরায় তাদের ফের জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মামলায় আগেই সাজা হয়েছে তিন অপরাধীর। পরবর্তী সময়ে ধরা পড়ে কাদের খানসহ দুই অভিযুক্ত। তাদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানার পাশাপাশি জারি ছিল হুলিয়া। বর্তমানে সেই মামলারই দ্বিতীয় পর্যায়ে শুনানি চলছে এই দুজনের বিরুদ্ধে।



