Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

‘বন্ধুত্বের খাতিরে সবসময় বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করব না’

পঙ্কজ ত্রিপাঠী জানালেন, বন্ধুত্বের খাতিরে তিনি 'ওহ মাই ডগ' ছবিতে বিনা পারিশ্রমিক কাজ করেছেন। বিস্তারিত পড়ুন।

‘বন্ধুত্বের খাতিরে সবসময় বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করব না’
  • ২৫ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অমিত রাই পরিচালিত ‘ওহ মাই ডগ’ ছবিতে দেখা যাবে অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠীকে। এক আড্ডায় তিনি জানালেন নানা কথা।

Advertisement

• চ্যালেঞ্জিং চরিত্র? 
•• একেবারেই নয়। ছবিতে আমার চরিত্রটি খুবই ছোটো। মূল আকর্ষণ দু’টি প্রাণী আর এক শিশু। আমরা কেবল ছবিটিকে সাপোর্ট করেছি। পরিচালকের সঙ্গে বন্ধুত্বের খাতিরেই কাজটা করলাম। 
• আপনার বাড়িতেও তো পোষ্য কুকুর রয়েছে... 
•• হ্যাঁ। ওর নাম জিনি। আমরা অভিনেতা বলেই হয়তো একটু বেশি আবেগপ্রবণ আর সংবেদনশীল। তবে আমার বিশ্বাস, পোষ্য মানুষের মধ্যে আরও বেশি মানবিকতা, সংবেদনশীলতা আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা এনে দেয়।  
• এই ছবির জন্য নাকি আপনি কোনো পারিশ্রমিক নেননি? 
•• হ্যাঁ। পুরোটাই বন্ধুত্বের জন্য। তবে এরপর হয়তো অনেকেই বলতে পারেন, ‘আমাদের ছবিটাও বন্ধুত্বের খাতিরে করে দিন।’ সেক্ষেত্রে বলব, আমি পেশাদার অভিনেতা। বছরে এক-আধবার এভাবে কাউকে সমর্থন করতে পারি। বারবার নয় (হাসি)। 
• প্রথম পারিশ্রমিকের কথা মনে পড়ে? 
•• ২০০৪ সালের ডিসেম্বর। মুম্বইয়ে প্রথম কাজের জন্য ১ হাজার ৭০০ টাকা পেয়েছিলাম। একটা সিরিয়ালে সিকিউরিটি গার্ডের চরিত্রে কাজ করি।  
• ‘মির্জাপুর’ সিনেমা নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা অনেক... 
•• দর্শকের যেমন প্রত্যাশা, আমাদেরও তেমনই আশা রয়েছে। ‘মির্জাপুর’ সিরিজের যেসব উপাদান দর্শক এতদিন ভালোবেসেছেন, সেগুলি এবার আরও বড়ো পরিসরে, আরও জমকালোভাবে দেখতে পাবেন। সঙ্গে থাকবে নতুন কিছু চমকও। শ্যুটিংয়ের সময় ব্যক্তিগতভাবে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছি, কারণ মা হাসপাতালে ভরতি ছিলেন। আমি নিজেও অসুস্থ ছিলাম। তবু ডাবিং এবং কিছু দৃশ্য দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে। কালীন ভাইয়ের চরিত্রে কোনো পরিবর্তন আসেনি, তবে গল্পে নতুন চ্যালেঞ্জ অবশ্যই থাকবে।
• আপনার মেয়ে অশি তো অভিনয় জগতে পা রেখেছেন? 
•• হ্যাঁ, মঞ্চে। ‘লা ইলাজ’ নামে একটি নাটকে অভিনয় করছে। 
• বড়োপর্দায় সুযোগ করে দেবেন না? 
•• ও আগে শিখুক। আটঘণ্টা ঘাম ঝরাক। এসব ছাড়া কিছুই হবে না। আমরাও তো সংগ্রাম করেছি, আমি চাই মেয়েও সেটা করুক। 
• বাবা হিসাবে অভিনয়ে মেয়েকে কত নম্বর দেবেন? 
•• মেয়ে প্রায়ই বলে, ‘আমার একটু প্রশংসা কর।’ প্রথম নাটকে ওর অভিনয় ঠিকঠাকই ছিল। তবে দ্বিতীয় নাটকে ওর উন্নতি আমাকে সত্যিই অবাক করেছে। ক্লাইম্যাক্সে ওর অভিনয় দেখে আমি নিজেও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি। আমি সত্যিই কেঁদে ফেলেছিলাম। শুধু বাবা হিসাবে নয়, একজন অভিনেতা হিসাবেও মনে হয়েছে, ওর অভিনয়ে সততা ছিল। আর সেটাই আমার সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে। 
দেবারতি ভট্টাচার্য, মুম্বই  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ