Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পানিহাটির আবর্জনা আরও একবছর যাবে ধাপায়, সম্পূর্ণ টেন্ডার প্রক্রিয়া

পানিহাটি পুরসভার আবর্জনা আগামী একবছর ধাপায় নিয়ে যেতে উদ্যোগী হল নগরোন্নয়ন দপ্তর।

পানিহাটির আবর্জনা আরও একবছর যাবে ধাপায়, সম্পূর্ণ টেন্ডার প্রক্রিয়া
  • ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: পানিহাটি পুরসভার আবর্জনা আগামী একবছর ধাপায় নিয়ে যেতে উদ্যোগী হল নগরোন্নয়ন দপ্তর। প্রায় তিন কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে নতুন করে টেন্ডারও করেছে কেএমডিএ। কিন্তু এই অস্থায়ী ব্যবস্থা কতদিন চলবে? কবে তৈরি হবে পুরসভার নিজস্ব ডাম্পিং গ্রাউন্ড। প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। কারণ, প্রতিদিন সাত থেকে আট ডাম্পার আবর্জনা পানিহাটি থেকে ধাপায় যাচ্ছে। যা পর্যাপ্ত নয়। শহরের বি টি রোড সহ বিভিন্ন জায়গায় আবর্জনা জমে রয়েছে। পুরসভার দাবি, নতুন ডাম্পিং গ্রাউন্ডের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী সাত থেকে আট মাসের মধ্যে কাজ শুরু হবে। 

Advertisement

স্থানীয়দের আন্দোলনের চাপে প্রায় দু’বছর ধরে রামচন্দ্রপুরে পানিহাটি পুরসভার নিজস্ব ডাম্পিং গ্রাউন্ড বন্ধ রয়েছে। নগরোন্নয়ন দপ্তরের হস্তক্ষেপে প্রায় দেড় বছর ধরে শহরের আবর্জনা ধাপায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কিন্তু মাঝেমধ্যে আবর্জনা বহনের গাড়ি কম আসা সহ নানা সমস্যা এখনও রয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় পুরসভার অনুরোধে আরও এক বছর শহরের আবর্জনা ধাপায় নিয়ে যেতে উদ্যোগী হয়েছে নগরোন্নয়ন দপ্তর। এনিয়ে তৃতীয় দফায় আবর্জনা নিয়ে যাওয়ার টেন্ডার করা হয়েছে। প্রায় ২ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। 
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বিলকান্দা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে লাগোয়া মহিষপোতা মৌজায় পুরসভার ৪.২১ একর ফাঁকা জমি ছিল। ২০১২ সাল থেকে পুরসভা ওই জমিতে ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরির চেষ্টা চালালেও স্থানীয়দের বাধায় আটকে ছিল। এপ্রিল মাসে নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। স্থির হয়, মুড়াগাছায় পঞ্চায়েতের ১৫ বিঘা জমিতে ডাম্পিং গ্রাউন্ড হলে পঞ্চায়েতের কোনও সমস্যা নেই বলে জানানো হয়। ওই জায়গা বদল করার প্রস্তাবে রাজি হয় পুরসভা। ইতিমধ্যে পুরসভা ও পঞ্চায়েতের মধ্যে জায়গা বদলও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু নতুন জায়গায় কবে সম্পন্ন হবে ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরির কাজ সেটাই বড় প্রশ্ন।
পুরসভার চেয়ারম্যান সেমনাথ দে বলেন, প্রতিদিন ১০-১২টি ডাম্পার প্রয়োজন। এখনও সাত আটটি পাওয়া যাচ্ছে। তাই কিছু আবর্জনা জমছে। মুড়াগাছার ডাম্পিং গ্রাউন্ডের জমিতে মাটি ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। সীমানাপ্রাচীর তৈরির জন্য সুডা ১ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে। ওই কাজের ওয়ার্ক অর্ডারও হয়ে গিয়েছে। বর্ষার জন্য কাজের গতি কমেছিল। আশা করছি, আগামী সাতমাসের মধ্যে নতুন ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি হয়ে যাবে। নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ