Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বারাকপুরে পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ সজল দাস ধৃত

বারাকপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ সজল দাসকে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে নিউ বারাকপুর থানার পুলিশ। বিস্তারিত পড়ুন।

বারাকপুরে পঞ্চায়েত  সমিতির কর্মাধ্যক্ষ সজল দাস ধৃত
  • ১০ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: তোলাবাজি, মারধর সহ একাধিক অভিযোগে বারাকপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ সজল দাসকে নিউ বারাকপুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ তাকে এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। গত কয়েক বছর বিলকান্দা-২ গ্রাম পঞ্চায়েত সহ আশপাশের এলাকায় সজলের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। তার আর্থিক বাড়বাড়ন্তও এলাকাবাসীর কাছে ছিল বিস্ময়কর। কল্যাণী রোডের ধারে তার বার কাম হোটেল দেখলে উত্থান বোঝা যায়। 

Advertisement

বিলকান্দা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের লেলিনগড় ডি ব্লকের বাসিন্দা সজল দাস। স্থানীয়দের দাবি, সে আগে এলাকায় চোলাই মদের ব্যবসা করত। আর্থিক অবস্থাও ভালো ছিল না। কিন্তু ২০২১ সালে ব্লক ও জেলা নেতৃত্বকে ম্যানেজ করে সে প্রথম অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি হয়। এরপর ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত ভোটে দাঁড়ায়। পঞ্চায়েত সমিতি থেকে জেতার পর জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষও হয়ে যায়। এরপর এলাকায় কার্যত সজল রাজ শুরু হয়। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে লাগোয়া জমির দালালি, পুকুর ভরাট, তোলাবাজি সহ নানা অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারে তার চারতলা বার কাম হোটেল সহ নামে বেনামে বহু সম্পত্তি রয়েছে বলে অভিযোগ। 
গত পাঁচবছরে সজল দাস বিধায়ক তথা মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন। কয়েক মাস আগে লেলিনগড়ের পুরানো তৃণমূল নেতা নন্দী বিশ্বাসকে মেরে চোখ ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল সজলের বিরুদ্ধে।  তার নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের হলেও প্রভাবশালীদের মদতে সে রক্ষা পায়। তার কয়েক জন সাগরেদ ধরা পড়েছিল। মঙ্গলবার নিউ বারাকপুর থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে তোলাবাজি সহ বহু অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি, মারধরের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। তার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার তাকে বারাকপুর আদালতে তোলা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ