রিয়াধ: সামরিক চুক্তিতে সই করল পাকিস্তান ও সৌদি আরব। বৃহস্পতিবার স্ট্র্যাটেজিক মিউচ্যুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট (এসএমডিএ) করল দুই দেশ। চুক্তি অনুযায়ী, একে দেশে হামলা হলে তা অন্য দেশটিতেও হামলা বলে গণ্য হবে। রিয়াধের আল-ইয়ামামহা প্রাসাদে এই চুক্তিপত্রে সাক্ষর করলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সৌদির যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমান। উপস্থিত ছিলেন পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরও। দীর্ঘদিন ধরেই সৌদির সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্ক রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সঙ্গে তাঁদের নিরাপত্তা চুক্তি নিঃসন্দেহে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে ভারত। জাতীয় নিরাপত্তা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও গোটা বিশ্বে এই চুক্তির কি প্রভাব পড়বে তা খতিয়ে দেখা হবে। এই মুহূর্তে ভারত সৌদি আরবের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যসঙ্গী। দেশের জ্বালানি চাহিদার একটা বড় অংশ আসে সৌদি থেকে। ভারতের বহু মানুষ সেদেশে কর্মরত। পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে জঙ্গি হামলার নিন্দাও জানিয়েছিল সৌদি আরব। বিশেষজ্ঞ মিচেল কুগেলম্যান মনে করছেন, ‘পাকিস্তানের এই চুক্তি কেবল একটি সামরিক চুক্তি নয়। ভারতের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী দেশের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হল পাকিস্তান। তুর্কি, চীনের পর এবার সৌদি আরব পাকিস্তানের পক্ষে। বিশ্ব কূটনীতিতে এই মুহূর্তে ভালো জায়গায় রয়েছে পাকিস্তান।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সৌদি আরবের উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, বহুদিন ধরেই দু’দেশের মধ্যে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে কোনও প্রভাব পড়বে না।



