Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬

যাত্রীবাহী বিমানকে ‘ঢাল’ করছে ইসলামাবাদ, কীর্তি ফাঁস ভারতের

কাপুরুষ পাকিস্তান। ভারতের প্রত্যাঘাত থেকে বাঁচতে সাধারণ মানুষের জীবন বাজি রেখেছে ইসলামাবাদ। মাঝ আকাশে যাত্রীবাহী ও আন্তর্জাতিক বিমানকে ‘ঢাল’ করেছে তারা।

যাত্রীবাহী বিমানকে ‘ঢাল’ করছে  ইসলামাবাদ, কীর্তি ফাঁস ভারতের
  • ১০ মে, ২০২৫ ১৫:০৫
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: কাপুরুষ পাকিস্তান। ভারতের প্রত্যাঘাত থেকে বাঁচতে সাধারণ মানুষের জীবন বাজি রেখেছে ইসলামাবাদ। মাঝ আকাশে যাত্রীবাহী ও আন্তর্জাতিক বিমানকে ‘ঢাল’ করেছে তারা। এর মধ্যে ছিল সৌদির এয়ারবাস এ৩২০ ফ্লাইটও। শুক্রবার বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে শাহবাজ শরিফ সরকারের এই কুকীর্তি ফাঁস করল ভারত। ঠিক কী ঘটেছিল? কেন্দ্রের দাবি, গতকাল রাতে ভারতের ৩৬ শহরের সামরিক ও অসামরিক পরিকাঠামো এবং ধর্মস্থানে আঘাত হানার চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। এজন্য ব্যবহার করে তুরস্কে তৈরি ৩০০ থেকে ৪০০টি ড্রোন। ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমে অনায়াসেই প্রতিহত হয় এইসব হামলা। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন হামলা চালালেও নিজেদের এয়ারস্পেস বন্ধ করেনি ইসলামাবাদ। ফলে যাত্রীবাহী বিমান ওড়া বন্ধ হয়নি। ভারতের প্রত্যাঘাত থেকে বাঁচতেই যাত্রীবাহী অসামরিক বিমানগুলিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে পাকিস্তান। এমনকী গতকালের মতো এদিনও বেশ কিছু অসামরিক যাত্রীবাহি বিমানকে পাকিস্তানের এয়ারস্পেসে উড়তে দেখা গিয়েছে। ফ্লাইট-ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটে তা ধরাও পড়েছে।

Advertisement

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে কর্নেল সোফিয়া কুরেশি জানান, লাদাখে সিয়াচেন হিমবাহের বেস ক্যাম্প থেকে গুজরাতের কচ্ছে স্যার ক্রিক পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে থাকা শ্রীনগর, জয়সলমির ও পাঠানকোটের মতো ৩৬টি শহরকে গতকাল নিশানা বানানোর চেষ্টা করে পাকিস্তান। এজন্য ইসলামাবাদ ৩০০ থেকে ৪০০টি ড্রোন ছুড়লেও ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমে সেগুলি প্রতিহত হয়। গুলি করেও নামানো হয়েছে এরকম প্রায় ৫০টি ড্রোনকে। আরও ২০টিকে ভোঁতা করে দিয়েছে জ্যামিং রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি। বেশিরভাগ ড্রোনেই কোনও অস্ত্রশস্ত্র ছিল না। তবে ক্যামেরা ছিল। সম্ভবত সেই ক্যামেরার মাধ্যমে তোলা ফুটেজ পাকিস্তানের গ্রাউন্ড স্টেশনগুলির হাতে গিয়েছে। ভেঙে পড়া ড্রোনের অংশ পরীক্ষা করে সরকারের অনুমান সেগুলি তুরস্কে তৈরি অ্যাসিসগার্ড সোঙ্গার ড্রোন। সাংবাদিক বৈঠকে ইসলামাবাদের মুখোস খুলে উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিং বলেন, ওদের হামলার পর ভারত যে দ্রুত প্রত্যাঘাত করবে, তা পাকিস্তানের ভালোই জানা আছে। তাই প্রত্যাঘাত থেকে বাঁচতে অসামরিক বিমানগুলিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে ওরা। ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে উড়তে থাকা অসমারিক যাত্রীবাহী বিমানগুলির জন্য এটা মোটেও নিরাপদ নয়।
এদিন পাকিস্তানকে তোপ দাগতে ছাড়েননি বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রিও। তিনি জানান, জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চে পাকিস্তানের ভয়ঙ্কর শেলিংয়ে কনভেন্ট স্কুলের দুই পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। ওরা মন্দির, গুরুদ্বার, কনভেন্টগুলিকেও নিশানা বানাচ্ছে। পাকিস্তান কতটা নীচে নেমেছে, এটাই তার প্রমাণ। ছবি : পিটিআই

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ