কলম্বো: ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়। পাকিস্তানের অবস্থাও সেরকমই। মঙ্গলবার প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে সলমন আগাদের প্রতিপক্ষ আমেরিকা। দু’বছর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশের কাছে টি-২০ বিশ্বকাপে হারতে হয়েছিল পাকিস্তানকে। সেই আতঙ্ক এখনও তাড়া করছে পাক ক্রিকেটারদের। তাছাড়া ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে আমেরিকার বোলাররা যথেষ্ট ভালো পারফর্ম করেছিলেন। ১৬১ রানেই আটকায় ভারত। সূর্যর চোয়ালচাপা লড়াই টিম ইন্ডিয়াকে জিতিয়েছিল ঠিকই, তবে আমেরিকার লড়াই প্রশংসিত হয়েছিল ক্রিকেট মহলে। মার্কিন হামলায় এবারও পাকিস্তানের ভারডুবির আশঙ্কা তাই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এমনিতেই চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বাধা টপকাতে কালঘাম ছুটেছিল বাবরদের। ফাহিম আশরফের ঝোড়ো ২৯ রান লজ্জার হাত থেকে বাঁচিয়েছিল পাকিস্তানকে। আমেরিকার বিরুদ্ধে লড়াই তুলনায় অনেক কঠিন। ব্যাটাররা ভুল শুধরে নিতে না পারলে পাক দল সমস্যায় পড়বে। বাবর আজমকে নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে পাক শিবিরে। গত ম্যাচে করেছিলেন মাত্র ১৫ রান। ব্যর্থ হয়েছিলেন ক্যাপ্টেন সলমন আগাও। পাকিস্তানের বোলিং অবশ্য বেশ শক্তিশালী। তাই আমেরিকার ব্যাটারদের কাজটাও সহজ হবে না। তবে এই ম্যাচ পাকিস্তানের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, পাক সরকার ঘোষণা করেছে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে দল নামাবে না। সিদ্ধান্তে অনড় থাকলে পাকিস্তানের পয়েন্ট কাটা যাবে। সেক্ষেত্রে সুপার এইটে ওঠার জন্য আমেরিকার বিরুদ্ধে তাদের জেতা জরুরি। একইসঙ্গে সলমন আগারা জানেন, আমেরিকাকে হারালে এক ঢিলে দুটো পাখি মরবে। নিশ্চিত হবে সুপার এইটের টিকিট। সেই সঙ্গে আইসিসি’র সঙ্গে দরাদরিতে সুবিধা হবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের। সেই কারণেই মঙ্গলবারের ম্যাচ টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য হয়ে উঠেছে গুরুত্বপূর্ণ।
খেলা শুরু সন্ধ্যা সাতটায়। সম্প্রচার স্টার স্পোর্টস ও জিওহটস্টারে।