Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

আবার পহেলগাঁওয়ের কায়দায় হামলা চালাতে পারে পাকিস্তান, আশঙ্কা সেনা শীর্ষকর্তার, আরও ভয়ংকর প্রত্যাঘাতের বার্তা

‘অপারেশন সিন্দুরেও শিক্ষা হয়নি পাকিস্তানের। তারা আবার পহেলগাঁওয়ের মতো হামলা করতে পারে। তবে ভারতও প্রস্তুত। এবার প্রত্যাঘাত হবে আরও ভয়ংকর।’

আবার পহেলগাঁওয়ের কায়দায়  হামলা চালাতে পারে পাকিস্তান, আশঙ্কা সেনা শীর্ষকর্তার, আরও ভয়ংকর প্রত্যাঘাতের বার্তা
  • ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ‘অপারেশন সিন্দুরেও শিক্ষা হয়নি পাকিস্তানের। তারা আবার পহেলগাঁওয়ের মতো হামলা করতে পারে। তবে ভারতও প্রস্তুত। এবার প্রত্যাঘাত হবে আরও ভয়ংকর।’ ইসলামাবাদের প্রতি এই হুঁশিয়ারি সেনার ওয়েস্টার্ন কমান্ডের লেফটেন্যান্ট জেনারেল মনোজ কুমার কাটিয়ারের। তাঁর মতে, সরাসরি ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের ক্ষমতা নেই পাকিস্তানের। তাই তারা দশকের পর দশক ধরে ‘ব্লিড ইন্ডিয়া থ্রু এ থাউজেন্ড কাটস’ নীতি চালিয়ে আসছে। সেই নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর প্রতিবেশী এই দেশ। তবে ভারতও প্রত্যুত্তরের জন্য তৈরি।

Advertisement

১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের মধ্যে সঙ্গে যুদ্ধে জয়ী হয়েছিল ভারত। সেই যুদ্ধের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার জম্মুতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেনার টাইগার ডিভিশন। সেখানে বলিদান স্তম্ভে ৫০ ফুটের পতাকা উত্তোলন করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মনোজ কুমার কাটিয়ার। এরপর শহিদদের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানান। এরপর তিনি স্কুল পড়ুয়া, এনসিসি ক্যাডেটস, স্কাউটস অ্যান্ড গাইডদের সঙ্গে মতামত বিনিময় করেন। দেশপ্রেম এবং নিয়মানুবর্তিতার মূল্যবোধ সবসময় তুলে ধরার উপর জোর দেন তিনি। 
সেই অনুষ্ঠানেই সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, পহেলগাঁওয়ের মতো ফের কোনও হামলার সম্ভাবনা রয়েছে কি না? উত্তরে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান যতদিন না চিন্তার বদল ঘটাচ্ছে, ততদিন এ ধরনের সম্ভাবনা থেকেই যায়। তাদের পুরোদমে যুদ্ধের ক্ষমতাই নেই।ঐ অপারেশন সিন্দুরের প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ওদের ঘাঁটি এবং চৌকি ধ্বংস করেছি। এরপরেও ওরা পহেলগাঁওয়ের মতো হামলা করতে পারে। আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। আগের থেকে এবারের প্রত্যুত্তর যে আরও ভয়ংকর হবে, সেই নিয়ে আমার কোনও সন্দেহ নেই।’ 
১৯৬৫-র যুদ্ধের প্রসঙ্গে কাটিয়ার বলেন, ‘সেই যুদ্ধে আমরা পাকিস্তানকে হারিয়ে দেশবাসীর আস্থা অর্জন করেছি। সেই আস্থা এখনও অটুট। পাকিস্তানের লক্ষ্য ছিল জম্মু ও কাশ্মীর দখল করা। পাকিস্তানি সেনা ভারতে অনুপ্রবেশের জন্য প্রায় ১০ হাজার রাজাকারকে প্রশিক্ষণ দিয়েছিল। কিন্তু তারা জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের দেশপ্রেম আন্দাজ করতে পারেনি। স্থানীয়দের সহায়তায় পাকিস্তানি হানাদারদের তাড়িয়ে দিয়েছিল ভারতীয় সেনা।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ