করাচি: পাকিস্তান কি আদৌ টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করবে? নাকি পুরোটাই মিথ্যা আস্ফালন? মেগা আসর শুরু হতে আর ১০ দিনও বাকি নেই। অথচ এখনও পর্যন্ত, সরকারিভাবে কিছু জানায়নি পিসিবি। এরই মধ্যে শোনা যাচ্ছে, তারা নাকি পুরো বিশ্বকাপ নয়, কেবলমাত্র ভারত ম্যাচ বয়কট করবে। অভিসন্ধি, আইসিসি’কে ক্ষতির মুখে ফেলা। আর সেই সিদ্ধান্তও তারা এখনই জানাতে নারাজ। টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচের ফলাফল বিশ্লেষণ করে টিম ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে খেলা বা না খেলার সিদ্ধান্ত নেবে পিসিবি।
আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে একই গ্রুপে রয়েছে ভারত-পাকিস্তান। ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে অভিযান করবে পাক দল। ১০ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ আমেরিকা। এই দুই ম্যাচ জিতলে সুপার এইটের পথ অনেকটাই প্রশস্ত হবে। তারপরই তারা ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু বিষয়টা এতটাও সহজ নয়। কারণ তাতে কড়া শাস্তির মুখে পড়বে পাকিস্তান। বিপুল আর্থিক ক্ষতি কিছুতেই মেনে নেবে না আইসিসি। ভারতের জিওস্টার স্পোর্টস ৩৩ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সম্প্রচার সত্ত্ব কিনেছে। তারই একটা অংশ সদস্য দেশগুলির মধ্যে ভাগ করে দেয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। বিশ্বকাপে ভারত-পাক ম্যাচ না হলে সম্প্রচারকারী সংস্থা আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটবে। তার জেরে আইসিসি’ও নোটিশ ধরাবে পিসিবি’কে। এমনকী বাকি সদস্য দেশগুলিরও লাভের পরিমাণ কমতে পারে। সেক্ষেত্রে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ আরও দ্বিগুণ হবে। তার জেরে নির্বাসনের কবলেও পড়তে পারে তারা। বিশ্বকাপ খেলার ব্যাপারে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে ইতিমধ্যে এক দফা মিটিং করেছেন পিসিবি’র চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। তিনি জানিয়েছেন, সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী পিসিবি চলবে। সবমিলিয়ে এখন ছলাকলার ঘুঁটি সাজানোয় ব্যস্ত পাক বোর্ড।