Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ফের যুদ্ধবিরতিতে রাজি পাকিস্তান ও আফগানিস্তান, স্বাক্ষর হল চুক্তি, মধ্যস্থতা কাতার-তুরস্কের

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে প্রায় দশদিন ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ অবসানের ইঙ্গিত মিলল। শনিবার ফের যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে দুই পক্ষ।

ফের যুদ্ধবিরতিতে রাজি পাকিস্তান ও আফগানিস্তান, স্বাক্ষর হল চুক্তি, মধ্যস্থতা কাতার-তুরস্কের
  • ২০ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

ইসলামাবাদ: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে প্রায় দশদিন ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ অবসানের ইঙ্গিত মিলল। শনিবার ফের যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে দুই পক্ষ। শুধু তাই নয়, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী দীর্ঘস্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে সমাধানসূত্র খোঁজার কাজ শুরুর বিষয়েও সম্মত হয়েছে তারা। কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় দোহায় শান্তি বৈঠকে বসেছিল দুই যুযুধান দেশ। বৈঠকে যোগ দেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজা আসিফ আর আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মুল্লা ইয়াকুব। 

Advertisement

রবিবার কাতারের বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘আলোচনার সময় উভয় পক্ষই তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা সুসংহত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণে সম্মত হয়েছে।’ শান্তিপ্রক্রিয়ার এখানেই ইতি ঘটছে না। বরং ভবিষ্যতে দুই প্রতিবেশী দেশই এব্যাপারে নিয়মিত বৈঠকে (ফলো আপ মিটিং) বসবে। উল্লেখ্য, তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) জঙ্গিদের শায়েস্তা করতে গত সপ্তাহে ভারতের ‘অপারেশন সিন্দুরের’ কায়দায় আফগানিস্তানে হামলা চালায় পাকিস্তান। ডুরান্ড লাইন অতিক্রম করে পাকিস্তানের এই হামলা ভালোভাবে নেয়নি তালিবান শাসিত আফগানিস্তান। এরপরেই দুই দেশ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। 
গত বুধবার পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। শুক্রবার সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর কথা ঘোষণা করে দুই দেশই। এরইমধ্যে নতুন করে আফগানিস্তানর মাটিতে এয়ার স্ট্রাইক করে পাকিস্তান। তাতে মৃত্যু হয় তিন উঠতি আফগান ক্রিকেটার সহ ১০ জনের। এরপর নতুন করে বিষিয়ে ওঠে দুই দেশের সীমান্ত সম্পর্ক। শনিবার পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির আফগানিস্তানকে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘কাবুলকে শান্তি এবং বিশৃঙ্খলার মধ্যে কোনও একটিকে বেছে নিতে হবে।’ চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দু’পক্ষই দ্বিতীয়বারের জন্য সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা করল। তবে অতীতের নজির থেকে এই সংঘর্ষবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়েও সন্দিহান ওয়াকিবহাল মহল। 

সম্পর্কিত সংবাদ