Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

প্রথমবার আসন জিতে উচ্ছ্বাস পদ্মশিবিরে, সংগঠনকে আরও বিস্তৃত করাই মূল লক্ষ্য

এতদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কয়েকটি পঞ্চায়েত সদস্য এবং একটি গ্রাম পঞ্চায়েত ছিল তাদের দখলে। কিন্তু সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে একাধিক আসনে ঘাসফুল উপড়ে পদ্ম ফুটিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

প্রথমবার আসন জিতে উচ্ছ্বাস পদ্মশিবিরে, সংগঠনকে আরও বিস্তৃত করাই মূল লক্ষ্য
  • ৬ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এতদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কয়েকটি পঞ্চায়েত সদস্য এবং একটি গ্রাম পঞ্চায়েত ছিল তাদের দখলে। কিন্তু সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে একাধিক আসনে ঘাসফুল উপড়ে পদ্ম ফুটিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। এবার এই সাফল্যের উপর ভর করেই নিজেদের সংগঠনকে আরও মজবুত করতে চাইছে পদ্মপার্টি।

Advertisement

যাদবপুর সাংগঠনিক জেলায় সব থেকে ভালো ফল হয়েছে বিজেপির। বারুইপুর পূর্ব ও পশ্চিম বাদে সোনারপুর উত্তর ও দক্ষিণ, যাদবপুর এবং টালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন পদ্ম প্রার্থীরা। এছাড়াও মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলায় দু’টি এবং ডায়মন্ডহারবার সাংগঠনিক জেলায় একটি সিট জিতে চমক দিয়েছে বিজেপি। দলের নেতারা বলেন, ভোটের আগে থেকেই মানুষের কাছে নানা ইস্যু তুলে ধরে প্রচার শুরু করা হয়েছিল। তাতে লাভ হয়েছে।
যাদবপুর সাংগঠনিক জেলায় এই অভূতপূর্ব ফল নিয়ে বিজেপির সভাপতি মনোরঞ্জন জোতদারের বক্তব্য, তৃণমূল সরকারের অপশাসন নিয়ে মানুষ বিরক্ত ছিল। তাছাড়া বিজেপি ভাতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। তাই শহরের সিটগুলিতে বিজেপিকে জিতিয়েছেন ভোটাররা। অন্যদিকে, এই ফলের জন্য দলীয় কর্মীদের মুখে সভাপতির প্রশংসা শোনা গেল। তাঁরা বলছেন, লোকসভা ভোটে বিজেপি দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছিল। সোনারপুর দক্ষিণে সব থেকে কম মার্জিন হয়েছিল। এবার যা ফলাফল হয়েছে, সেটা পুরোটাই সভাপতির পরিকল্পনার ফল। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একটা সময় বিজেপি বুথে বুথে এজেন্ট দিতে হিমশিম খেত। কিন্তু চলতি ভোটে প্রায় সব বুথেই লোক বসিয়েছে তারা। এটা যে বড় সাফল্য সেটা মানছেন দলেরই নেতারা। এবারে সাংগঠনিকভাবে বাকি আসনেও নিজেদের বুথস্তরের শক্তি বাড়িয়ে আগামী ভোটে আরও ভালো ফল করার লক্ষ্য পদ্ম পার্টির।
ডায়মন্ডহারবার লোকসভার মধ্যে যেসব কেন্দ্র আছে, সেখানে অনেকদিন ধরেই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিল বিজেপি। এবারে সেখানে অন্তত দাঁত ফোটাতে পেরেছে তারা। আগামী দিনে এই কেন্দ্রের বাকি বিধানসভা এলাকাগুলিতেও বিজেপির পতাকা ওড়াতে এখন থেকেই কোমর বাঁধছেন নেতা-কর্মীরা। এক নেতার কথায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় বলে আর কিছু নেই। সাতগাছিয়ায় হেরেছে। ফলতাও হারবে। বাকি পাঁচটিতে এবার তৃণমূলকে শূন্য করে ছাড়া হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ