Bartaman Logo
২৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ফুলবাজারে পদ্ম-বড়বাজারে আবির, আচমকা বাড়ল চাহিদা

জেপির জয়ের খবর আসার পর সোমবার কলকাতার ফুলবাজারে পদ্মের চাহিদা তুঙ্গে ওঠে। বেলা যত গড়ায় পদ্ম ফুলের বিক্রি তত বাড়তে থাকে। ফুলবাজার সূত্রে খবর, দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে বিক্রি হয়েছে লক্ষাধিক পদ্মফুল।

ফুলবাজারে পদ্ম-বড়বাজারে আবির, আচমকা বাড়ল চাহিদা
  • ৫ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজেপির জয়ের খবর আসার পর সোমবার কলকাতার ফুলবাজারে পদ্মের চাহিদা তুঙ্গে ওঠে। বেলা যত গড়ায় পদ্ম ফুলের বিক্রি তত বাড়তে থাকে। ফুলবাজার সূত্রে খবর, দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে বিক্রি হয়েছে লক্ষাধিক পদ্মফুল। 

Advertisement

এছাড়া গেরুয়া ঝড়ের প্রভাব পড়ে কলকাতার বড়বাজারেও। রং পট্টিতে গেরুয়া আবিরের বস্তা কিনতে ভিড় বিজেপির কর্মী ও খুচরো ব্যবসায়ীদের। অনেকে ২৫ কেজির বস্তা কেনেন।  কলকাতা এবং বিভিন্ন জেলা থেকে বহু দোকানদার আসেন গেরুয়া আবির কিনতে। পাঁচ কেজির বস্তা না পেয়ে অনেকে রং ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেন গোডাউন থেকে গেরুয়া আবিরের স্টক নিয়ে আসতে। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু খুচরো ব্যবসায়ী ভোটের ট্রেন্ড বোঝার পর ট্রেন ধরে চলে এসেছিলেন বড়বাজারে।
অন্যদিকে ফুলের পাইকারি বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী ও ফুল চাষি জানান, বহু বিজেপি কর্মী‑সমর্থক বড়ো পদ্মের মালা কিনে নিয়ে যান। অনেকে রাম ও হনুমান মন্দিরে পুজো চড়ানোর জন্য কেনেন পদ্মফুল। আচমকা পদ্মের বাজার ভালো হওয়ায় খুশি ফুল ব্যবসায়ীরা। তাঁদের বক্তব্য, এখন সামনে বড়ো কোনো পুজো নেই। তাই এসময় ফুলের বাজার মন্দা থাকে। ভোটে বিজেপির জয়ে হঠাৎ বেড়ে গিয়েছে পদ্মের চাহিদা। সারা রাজ্য ফুলচাষি ও ফুল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণচন্দ্র নায়েক বলেন, ‘আমরা আশা করছি আগামী কয়েকদিন পদ্মের বাজার ভালো থাকবে। জোগানও ভালো আছে। আশা করছি পেতে কোনো সমস্যা হবে না। বাজার ভালো হওয়ায় আর্থিকভাবে লাভবান হবেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।’
এর পাশাপাশি বড়বাজারের রং ব্যবসায়ী সঞ্জয় সাউ বলেন,‘আমরা আশা করছি, এখন গত কয়েকদিন গেরুয়া আবিরের এই বাজার থাকবে। আমরা নতুন করে গেরুয়া আবিরের অর্ডার দিয়েছি।’ আর এক রং ব্যবসায়ী গণেশ বনশাল বলেন, ‘বেলার দিকে দোকান খুলতেই দলে দলে মানুষ এসে গেরুয়া আবির কিনে নিয়ে গিয়েছেন।’ 
অন্যদিকে ফুলবাজারে সমর সামন্ত নামে এক ফুল ব্যবসায়ী বলেন, ‘সকাল ১১টার পর থেকে চড়চড় করে বাড়তে থাকে পদ্ম বিক্রি। অনেকেই ডজন ডজন পদ্ম কেনেন। অনেকে বরাত দিয়ে গিয়েছেন।’ ফুল চাষি স্বপন কাপাস বলেন, ‘খুচরো ফুল ব্যবসায়ীরা প্রচুর পদ্ম কিনে নিয়ে গিয়েছেন। বেশি চাহিদা ছিল গোলাপি পদ্মের।’ অতুল মাইতি নামে হাওড়ার আমতার এক ফুল চাষি বলেন, ‘২০ ডজন পদ্মের কুঁড়ি নিয়ে এসেছিলাম। দুপুর একটার মধ্যে তা বিক্রি হয়ে যায়।’ বিশ্বজিৎ সাহা নামে খুচরো ফুল ব্যবসায়ী বলেন, ‘পদ্মের বাজার ভালো থাকায় রাতারাতি দাম বেড়ে গিয়েছে। অন্যান্য দিন ১০‑১৫ টাকা দাম থাকে। এখন ৩০ টাকা হয়েছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ