অ্যাডিলেড: গোলাপি বলের টেস্টের পয়লা দিনেই চাপে ভারত। পারথে ২৯৫ রানে পরাজয়ের ধাক্কা সামলে চেনা আগ্রাসী মেজাজে অস্ট্রেলিয়া। মিচেল স্টার্কের টেস্ট কেরিয়ারের সেরা বোলিং ১৮০ রানে থামিয়ে দেয় টিম ইন্ডিয়াকে। জবাবে প্রথম দিনের শেষে ৮৬ তুলে ফেলেছে হোমটিম। ঘাটতি একশোরও কম। পড়েছে মাত্র এক উইকেট। এই পরিস্থিতিতে পিঙ্ক বল টেস্টে ‘অ্যাডভান্টেজ’ অস্ট্রেলিয়াই।
Advertisement
পারথে কিন্তু দেড়শোতে থামার পর বোলাররা জ্বলে উঠেছিলেন। যশপ্রীত বুমরাহর নেতৃত্বে অজিদের পাল্টা কাঁদিয়ে ছাড়েন হর্ষিত রানা, মহম্মদ সিরাজরা। অ্যাডিলেডেও সেই প্রত্যাশা ছিল তেরঙা পতাকা হাতে গ্যালারিতে উপস্থিত অজস্র ক্রিকেটপ্রেমীর। কিন্তু ব্যাটারদের মতো এদিন নিষ্প্রভ বোলাররাও। স্টাম্প থেকে দূরে দূরেই বল করে গেলেন সিরাজ, হর্ষিতরা। নতুন বল খেলানোর চেষ্টাই করলেন না। অথচ, পারথে স্টাম্প আক্রমণ করেই এসেছিল সাফল্য। ফলে ধীরে ধীরে পিচে থিতু হওয়ার সুযোগ পেলেন আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভোগা নবীন ওপেনার নাথান ম্যাকসুইনি। প্রবল সমালোচিত মার্নাস লাবুশানেও ক্রমশ ছন্দে ফিরছেন। নড়বড়ে ভঙ্গিতে শুরুর পর দ্বিতীয় উইকেটে ম্যাকসুইনি-লাবুশানের জুটিতে উঠেছে ৬২। শনিবার দ্রুত আঘাত হানা সেজন্যই প্রয়োজন।
বুমরাহ অবশ্য এদিনও উজাড় করে দিলেন। তবে ভাগ্যের সহায়তা ছিল না। তাঁর বলে ম্যাকসুইনির সহজ ক্যাচ পড়ল কিপার ঋষভ পন্থের হাত থেকে। এর খেসারত এখনও দিয়ে চলছে ভারত। ম্যাকসুইনি নট আউট রয়েছেন দিনের শেষে। উসমান খাওয়াজা অবশ্য বুম বুমেরই শিকার। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে বুমরাহকে অবশ্য বারবার এভাবেই দেখতে চান সমর্থকরা।
কথায় বলে, সকাল দেখেই বোঝা যায় দিনটা কেমন যাবে। ডে-নাইট টেস্ট যদিও সকালে নয়, দুপুরে শুরু হয়েছিল। কিন্তু ম্যাচের প্রথমেই ছিল অশনি সঙ্কেত। পয়লা বলেই এলবিডব্লু যশস্বী জয়সওয়াল। স্টার্কের বিষাক্ত সুইং স্টাম্পের সামনেই পেয়ে যায় বাঁ হাতির পা। চলতি বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে তিন ইনিংসে যশস্বীর রানগুলো এমন ০, ১৬১, ০। আর এক ওপেনার লোকেশ রাহুল ও চোট সারিয়ে ফেরা শুভমান গিলকে অবশ্য স্বচ্ছন্দেই দেখাচ্ছিল। দু’জনে ৬৯ রান যোগ করেন। যখন মনে হচ্ছিল, বড় ইনিংসের ভিত গড়ার পর্ব শেষ, তখনই ছন্দপতন। স্টার্কের বাড়তি বাউন্সে ব্যাট বাড়িয়ে দিয়ে ফিরলেন রাহুল। আরও একবার প্রাপ্য বড় ইনিংস থেকে হতে হল বঞ্চিত। চারে নামা কোহলিকে আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল। কিন্তু স্টার্কের ঠুকে দেওয়া ডেলিভারি থেকে ব্যাট সরাতে পারেননি ভিকে। টেস্টে এই নিয়ে পঞ্চমবার বাঁ হাতি পেসারের শিকার হলেন তিনি।
ডিনারের ব্রেকের ঠিক আগে মাত্র ১২ রানে তিন উইকেট হারায় ভারত। রাহুল, বিরাটের পর ফেরেন জমাট দেখানো গিলও। জশ হ্যাজলউডের জায়গায় এগারোতে আসা স্কট বোল্যান্ড আঘাত হানেন। ফ্লিক করতে গিয়ে বল মিস করে এলডিব্লু হন গিল। বোল্যান্ডের পরের শিকার দলের স্বার্থে ওপেনিং ছেড়ে ছয় নম্বরে নামা অধিনায়ক রোহিত শর্মা। খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে ঋষভ পন্থই ছিলেন ভরসা। কিন্তু তিনি তা হতে পারেননি। শেষ পর্বে নীতীশ রেড্ডির ধুমধাড়াক্কাই দেড়শোর গণ্ডি পার করে দেয়। ওয়াশিংটন সুন্দরের পরিবর্তে দলে আসা রবিচন্দ্রন অশ্বিনও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। শনিবার অবশ্য বল হাতে অ্যাশের আগ্রাসনের আশায় ক্রিকেটপ্রেমীরা।
বুমরাহ অবশ্য এদিনও উজাড় করে দিলেন। তবে ভাগ্যের সহায়তা ছিল না। তাঁর বলে ম্যাকসুইনির সহজ ক্যাচ পড়ল কিপার ঋষভ পন্থের হাত থেকে। এর খেসারত এখনও দিয়ে চলছে ভারত। ম্যাকসুইনি নট আউট রয়েছেন দিনের শেষে। উসমান খাওয়াজা অবশ্য বুম বুমেরই শিকার। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে বুমরাহকে অবশ্য বারবার এভাবেই দেখতে চান সমর্থকরা।
কথায় বলে, সকাল দেখেই বোঝা যায় দিনটা কেমন যাবে। ডে-নাইট টেস্ট যদিও সকালে নয়, দুপুরে শুরু হয়েছিল। কিন্তু ম্যাচের প্রথমেই ছিল অশনি সঙ্কেত। পয়লা বলেই এলবিডব্লু যশস্বী জয়সওয়াল। স্টার্কের বিষাক্ত সুইং স্টাম্পের সামনেই পেয়ে যায় বাঁ হাতির পা। চলতি বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে তিন ইনিংসে যশস্বীর রানগুলো এমন ০, ১৬১, ০। আর এক ওপেনার লোকেশ রাহুল ও চোট সারিয়ে ফেরা শুভমান গিলকে অবশ্য স্বচ্ছন্দেই দেখাচ্ছিল। দু’জনে ৬৯ রান যোগ করেন। যখন মনে হচ্ছিল, বড় ইনিংসের ভিত গড়ার পর্ব শেষ, তখনই ছন্দপতন। স্টার্কের বাড়তি বাউন্সে ব্যাট বাড়িয়ে দিয়ে ফিরলেন রাহুল। আরও একবার প্রাপ্য বড় ইনিংস থেকে হতে হল বঞ্চিত। চারে নামা কোহলিকে আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল। কিন্তু স্টার্কের ঠুকে দেওয়া ডেলিভারি থেকে ব্যাট সরাতে পারেননি ভিকে। টেস্টে এই নিয়ে পঞ্চমবার বাঁ হাতি পেসারের শিকার হলেন তিনি।
ডিনারের ব্রেকের ঠিক আগে মাত্র ১২ রানে তিন উইকেট হারায় ভারত। রাহুল, বিরাটের পর ফেরেন জমাট দেখানো গিলও। জশ হ্যাজলউডের জায়গায় এগারোতে আসা স্কট বোল্যান্ড আঘাত হানেন। ফ্লিক করতে গিয়ে বল মিস করে এলডিব্লু হন গিল। বোল্যান্ডের পরের শিকার দলের স্বার্থে ওপেনিং ছেড়ে ছয় নম্বরে নামা অধিনায়ক রোহিত শর্মা। খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে ঋষভ পন্থই ছিলেন ভরসা। কিন্তু তিনি তা হতে পারেননি। শেষ পর্বে নীতীশ রেড্ডির ধুমধাড়াক্কাই দেড়শোর গণ্ডি পার করে দেয়। ওয়াশিংটন সুন্দরের পরিবর্তে দলে আসা রবিচন্দ্রন অশ্বিনও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। শনিবার অবশ্য বল হাতে অ্যাশের আগ্রাসনের আশায় ক্রিকেটপ্রেমীরা।



