Bartaman Logo
৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আবাসের সমীক্ষা: শেষ সপ্তাহে নথিভুক্ত দেড় লক্ষাধিক, রাজ্যে সর্বাধিক নাম যুক্ত হল দক্ষিণ ২৪ পরগনায়

শেষ এক সপ্তাহে নথিভুক্ত হল দেড় লক্ষের বেশি নাম। আর তাতেই আবাসের সমীক্ষায় রাজ্যে সবথেকে বেশি নাম উঠে এসেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত দপ্তরের দেওয়া ৪ লক্ষ ৪ হাজারের সামান্য বেশি টার্গেটের তুলনায় ৪ লক্ষ ৮১ হাজারের বেশি নাম নথিভুক্ত হয়েছে।

আবাসের সমীক্ষা: শেষ সপ্তাহে নথিভুক্ত দেড় লক্ষাধিক, রাজ্যে  সর্বাধিক নাম যুক্ত হল দক্ষিণ ২৪ পরগনায়
  • ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: শেষ এক সপ্তাহে নথিভুক্ত হল দেড় লক্ষের বেশি নাম। আর তাতেই আবাসের সমীক্ষায় রাজ্যে সবথেকে বেশি নাম উঠে এসেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত দপ্তরের দেওয়া ৪ লক্ষ ৪ হাজারের সামান্য বেশি টার্গেটের তুলনায় ৪ লক্ষ ৮১ হাজারের বেশি নাম নথিভুক্ত হয়েছে। আধিকারিকদের দাবি, শুরুতে ঢিলেমি দিলেও শেষের দিকে সমীক্ষকদের দল সব গ্রামে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে সঠিকভাবে কাজ করেছে বলে এই বিপুল সংখ্যক নাম উঠে এসেছে। এবার ফের যাচাই হবে এইসব নামের। কীভাবে সেই কাজ হবে সেটাও জেলাগুলিকে জানিয়ে দিয়েছে পঞ্চায়েত দপ্তর। এই জেলা ছাড়া একমাত্র মুর্শিদাবাদ জেলায় চার লক্ষের বেশি নাম উঠেছে। তারা রয়েছে রাজ্যে দ্বিতীয় স্থানে। আরও একটা তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এই প্রথম কালিম্পং এবং দার্জিলিং জেলার উপভোক্তারা বাড়ি পেতে চলেছেন। এদিকে, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় টিনের ছাদ রয়েছে বলে যেসব ব্যক্তির নাম নথিভুক্ত হয়েছে, সেসব দেখতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের আসার কথা রয়েছে ৬ সেপ্টেম্বর। নির্দেশ মতো কাজ হয়েছে কি না সেটা দেখতেই আসছে তারা বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

এই সমীক্ষার রিপোর্ট দেখে অনেকে বলছেন, তৃণমূল আমলেও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় প্রায় সাড়ে ১০ লক্ষ বাড়ি দেওয়া হয়েছিল। তারপরও এবার আরও চার লক্ষের বেশি নাম পাওয়া মানে সেই সময় অনেক যোগ্য উপভোক্তার নাম বাদ পড়েছিল। তাছাড়া এবারে বাড়ি পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্যতম একটি নিয়ম শিথিল করেছিল কেন্দ্র। সেটা হল—টিনের ছাদ হলেও নাম তোলা যাবে সমীক্ষায়। তাতেও অনেকের নাম উঠেছে। সূত্রের খবর, সমীক্ষার কাজ ৩১ আগস্ট শেষ হয়েছে। রিপোর্ট বলছে, জেলার মধ্যে সবথেকে বেশি নাম নথিভুক্ত হয়েছে মগরাহাট-২ ব্লকে (২৭ হাজারের মত)। এরপর রয়েছে কুলপি (২২ হাজারের মত)। এছাড়াও ২০-২৩ হাজারের মধ্যে রয়েছে জয়নগর-২ এবং বারুইপুর ব্লকে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ