Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে কোনো কেন্দ্রে বহিরাগতরা থাকতেই পারবে না: কমিশন

নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে কোনো কেন্দ্রে বহিরাগতরা থাকতেই পারবে না: কমিশন
  • ২২ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় কোনো বহিরাগত ব্যক্তিকে থাকতে দেওয়া যাবে না। এই নিয়ে সমস্ত থানার ওসিরা পুলিশ সুপার বা কমিশনারদের সার্টিফিকেট দিয়ে জানাবেন, এই আইন তাঁরা যথাযথভাবে মেনে চলেছেন। লঙ্ঘন করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সাসপেনশনেরও মুখে পড়বেন অভিযুক্ত অফিসার। এমনকি হোটেল, গেস্ট হাউস বা ম্যারেজ হলে কোনো বহিরাগত নেই, এটা নিশ্চিত করতে হবে স্থানীয় থানাকেই। কমিশনের নির্দেশমতো মঙ্গলবার রাতেই এই সংক্রান্ত রিপোর্ট পুলিশ সুপাররা নির্বাচন কমিশনকে জানাচ্ছেন। পুলিশ পর্যবেক্ষকরা এলাকা ঘুরে জানতে পারছেন, ভোটের আগে বহু বহিরাগত লোক বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় ভিড় জমায়। তারা এলাকার হোটেল, গেস্ট হাউস বা ম্যারেজ হলে এসে ওঠে। অভিযোগ পাওয়া যায়, বহিরাগত দুর্বৃত্তরা ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে এবং তাঁদের ভোটদানে বাধা দিচ্ছে। পুলিশ পর্যবেক্ষকদের এমনই রিপোর্ট জমা পড়েছে কমিশনে। তারপরই এই নিয়ে পদক্ষেপ করলেন কমিশনের আধিকারিকরা। মঙ্গলবার তাঁদের তরফে জারি করা নির্দেশিকাটি পৌঁছে গিয়েছে সমস্ত জেলার পুলিশ সুপার এবং কলকাতাসহ সমস্ত পুলিশ কমিশনারের কাছে। তাতে ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১২৬ নম্বর ধারার উল্লেখসহ এসওপি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। তাতে বলা হয়েছে, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে যাঁরা ওই কেন্দ্রের ভোটার নন এবং বাইরে থেকে এসেছেন তাঁদের প্রচার শেষ হওয়ার পরই এলাকা ছাড়তে হবে। এমনকি ওই এলাকার হোটেল, গেস্ট হাউস বা ম্যারেজে হলে তাঁরা থাকতে পারবেন না। নির্দেশ অমান্য করে কেউ থাকছে কি না তা জানার জন্য এলাকার গেস্ট হাউস, হোটেলে তল্লাশি চালাতে হবে। এই কাজে জেলার থানাগুলি কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্য নেবে। চেক পোস্টগুলিতেও কড়া নজরদারি নির্দেশ দিয়েছে কমিশন, যাতে কোনোভাবেই বহিরাগতরা কোনো বিধানসভা এলাকায় ঢুকতে না পারে। পুলিশের রাফ রেজিস্টারের সেকেন্ড পার্টে বলা হয়েছে, এক জায়গার দুষ্কৃতী অন্য জায়গায় গিয়ে অপরাধ করছে, সেই তালিকা আপটুডেট রাখতে হবে। পুলিস পর্যবেক্ষকরা বিভিন্ন থানায় ঘুরে দেখছেন এর সর্বশেষ তালিকা অধিকাংশ থানায় নেই। তাই বহিরাগত দুষ্কৃতীরা ভোটের দিন নিজের এলাকা ছেড়ে অন্য এলাকায় গিয়ে গোলমাল পাকালে তা চিহ্নিত করা কঠিন। সেই কারণেই কমিশন রাফ রেজিস্টারের এই অংশের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই ধরনের অপরাধীদের গ্রেপ্তারের জন্য বাড়তি চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে খবর।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ