


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বুধবার দলীয় প্রার্থীর প্রচারে হাজির থাকবেন বলে সম্মতি দিয়েছিলেন আমডাঙার বিদায়ী বিধায়ক রফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার সেইমতো প্রচারে গিয়ে প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করায় ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে গেল আমডাঙায়। চেয়ার ভাঙচুর থেকে মারধর, কোনো কিছুই বাদ রইল না। সব মিলিয়ে বৃহস্পতিবার কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল আমডাঙা। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকালে তৃণমূল প্রার্থী কাশেম সিদ্দিকির সমর্থনে কর্মিসভা হয় আমডাঙার গোবিন্দপোতা এলাকায়। উপস্থিত ছিলেন বারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক, তৃণমূল প্রার্থী কাশেম সিদ্দিকি, বিদায়ী বিধায়ক রফিকুর রহমান সহ অন্যান্যরা। পার্থ ভৌমিক চলে যাওয়ার পর রফিকুর রহমানের একটি মন্তব্যকে ঘিরে তুলকালাম কাণ্ড বেঁধে যায়। তৃণমূল প্রার্থী কাশেম সিদ্দিকির একটি মন্তব্যের বিরোধিতা করেন রফিকুল। মঞ্চে তিনি বলেন, প্রার্থী কাসেম সিদ্দিকি প্রার্থী হয়েছেন, আপত্তি নেই। তিনি অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। কিন্তু তিনি প্রচার করতে গিয়ে বলছেন, এলাকায় কোনো উন্নয়ন হয়নি। তিনি বিধায়ক হয়ে উন্নয়ন করবেন। এতেই চটেছেন রফিকুর। নতুন প্রার্থীর কথা অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে আমডাঙায় কিছুই কাজ হয়নি। একথা ঠিক নয়। এরপরই তৃণমূল কর্মীরা মাইক কেড়ে নেন রফিকুর রহমানের হাত থেকে। এই ঘটনার পর কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। অভিযোগ, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা মিরাজ মল্লিককে বেধড়ক মারধর করেছে দলীয় কর্মীদের একাংশ। এনিয়ে কাসেম সিদ্দিকি বলেন, তিনি কেন এসব কথা বললেন, জানা নেই। আমি তো বিদায়ী বিধায়ককে নিয়ে কিছু বলিনি। আসলে বিজেপি আর আইএসএফের লোকজন বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি করেছে। যদিও এই ঘটনার পর রফিকুর রহমানের কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।