Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধানে বাল্যবিবাহ রুখতে জেলাশাসকের বার্তা

গ্রামোন্নয়নের পরিকল্পনায় মহিলাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে জেলাশাসক খুশি হয়েছেন।

আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধানে বাল্যবিবাহ রুখতে জেলাশাসকের বার্তা
  • ৬ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, হলদিয়া: মঙ্গলবার মহিষাদলের নাটশাল-১ পঞ্চায়েতে ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ কর্মসূচিতে বাল্যবিবাহ রুখতে মহিলাদের সচেতনতার বার্তা দিলেন জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজি। গ্রামোন্নয়নের পরিকল্পনায় মহিলাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে জেলাশাসক খুশি হয়েছেন। এদিন ওই পঞ্চায়েতের ১২১নম্বর মৎস্যচক, ১২২নম্বর কুম্ভচক ও ১২৩নম্বর নরসিংহচক বুথ নিয়ে এই শিবির হয়েছে। নাটশাল নরসিংহচক শ্রীরামকৃষ্ণ অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আমবাগানের ছায়ায় শিবির বসেছিল।জেলাশাসক বলেন, আমি মেদিনীপুর জেলার প্রত্যন্ত গ্রামের ছেলে। এখানে মহিলারা নিজেদের গ্রামের উন্নয়নে এগিয়ে এসে চাহিদার কথা বলছেন-এটা আনন্দের বিষয়। কিন্তু কষ্টের বিষয়, পূর্ব মেদিনীপুর বাল্যবিবাহের হারে রাজ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে। মহিলারা সচেতন হলে তবেই বাল্যবিবাহ আটকানো যাবে। বাল্যবিবাহের জেরে নানা সামাজিক সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। যা উন্নয়নে বাধা দেয়।

Advertisement

জেলাশাসক এদিন খোঁজ নেন, কোন পাড়া থেকে কতজন মানুষ প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি গ্রামবাসীদের উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন। এদিন যে তিনটি বুথে পাড়ায় সমাধান শিবির হয়েছে, সেগুলি সবই বিজেপির দখলে। বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যরা এদিন শিবিরে উপস্থিত ছিলেন। মৎস্যচক বুথের পঞ্চায়েত সদস্য অঞ্জলি মান্না বলেন, এই শিবির প্রতি বছর হলেই ভালো হয়। মানুষ খুবই উৎসাহের সঙ্গে উন্নয়ন পরিকল্পনায় যোগ দিতে এসেছেন। কে কোন দল করে, সে কথা গৌণ। গ্রামবাসী হিসেবেই সবাই এসেছেন। পেশায় গৃহশিক্ষিকা অঞ্জলিদেবী বাড়ির কাজের পাশাপাশি গ্রামের কাজও করেন। বিজেপির ওই পঞ্চায়েত সদস্যা উন্নয়নের কাজে সহযোগী বলে জানান নাটশাল-১ পঞ্চায়েতের প্রধান শিবপ্রসাদ বেরা। তিনি বলেন, বিজেপির বুথ হলেও মানুষের উৎসাহ দেখে প্রশাসনের লোকজন খুশি।এদিন তিনটি বুথ মিলিয়ে ৩৮টি স্কিম জমা পড়েছে। ৯টি পথবাতি, ১০টি পাকা রাস্তা, চারটি রাস্তা সংস্কার, পাঁচটি নতুন কালভার্ট, তিনটি নালা ও ছয়টি টিউবওয়েলের স্কিম নথিভুক্ত হয়েছে। পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, এদিন ৩০০’র বেশি মানুষ এসে নাম নথিভুক্ত করেছেন। চাষবাস ও ইলিশের মরশুমের কারণে আরও অনেকেই আসতে পারেননি। এদিন বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী, মহকুমা শাসক সুপ্রভাত চট্টোপাধ্যায়, বিডিও বরুণাশিস সরকারও শিবিরে এসেছিলেন।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ