ঢাকা, ৯ জানুয়ারি: বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম। সংসার খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এরই প্রতিবাদে রাস্তায় নামল বাংলাদেশের আম জনতা। বাংলাদেশের বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তারা। হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে আপাতত তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্বে রয়েছে। যার প্রধান মহম্মদ ইউনুস। তাঁর আমলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণের আশা ছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে হাসিনার সরকারের পতনের পর বাজারদরে সুরাহা পাবেন তাঁরা। দাম কমবে সবজি থেকে রান্নার গ্যাস কিংবা ওষুধপত্রের। কিন্তু সেটা হয়নি উল্টে রোজই দাম বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের। তাই বেজায় ক্ষুব্ধ বাংলাদেশের আমজনতা। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন তাঁরা। বাংলাদেশে হাসিনার সরকারের পতনের পর নতুন কর নিয়ম লাগু হয়েছে। সেই অনুযায়ী, এবার থেকে রেস্তরাঁর খাবারের বিলের উপরে অতিরিক্ত ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে। আগে এই কর ৫ শতাংশ ছিল। সেই করের পরিমাণ বাড়িয়ে একধাক্কায় ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। বিস্কুট, আচার, ম্যাট্রেস, টিস্যু পেপারেও ১৫ শতাংশ কর বসানো হবে বলে জানিয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরির ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে। রান্নার গ্যাসের দাম দ্বিগুণ করার প্রস্তাব দিয়েছে ইউনুসের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সূত্রের খবর, মোবাইলের রিচার্জেও কর বসানো হয়েছে। এবার থেকে ১০০ টাকার মোবাইল রিচার্জ করতে কর হিসেবে দিতে হবে ৫৬ টাকা ৩০ পয়সা। যার তীব্র বিরোধিতা করেছে শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লিগ। সাধারণ মানুষের এই ক্ষোভকে হাতিয়ার করে রাস্তায় নেমেছে হাসিনার দলের নেতারা। এই নতুন কর ব্যবস্থা তুলে নিতে ইউনুসের তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে দেশের জনগণ। আর সেই হুঁশিয়ারির জেরে বিপাকে পড়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। গত বছরেই ছাত্র আন্দোলনের জেরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ফের সেই একই ধরণের গণ আন্দোলন হলে বেজায় চাপে পড়বে ঢাকা, মত বিশেষজ্ঞদের।



