পারথ: একজনের ১০৫ টেস্টে ৫৩৬ উইকেট। অন্যজনের ১২৯ টেস্টে ৫৩০। রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও নাথান লিয়ঁ, দুই অফ স্পিনারের টক্কর আসন্ন বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্টে ২২ ম্যাচে অ্যাশের শিকারসংখ্যা ১১৪। লিয়ঁ অবশ্য এই দ্বৈরথে খেলেছেন বেশি ম্যাচ। নিয়েছেন বেশি উইকেটও। ভারতের বিরুদ্ধে ২৭ টেস্টে তাঁর সংগ্রহ ১২১ উইকেট। ঘরের মাঠে ১৫ টেস্টে লিয়ঁর পকেটে ৬০ উইকেট। ডনের দেশে অশ্বিনকেও ব্যর্থ বলা যাবে না কোনওভাবে। ১০ টেস্টে ৩৯ উইকেটে সেটাই প্রতিফলিত। আর এজন্যই দুই স্পিনারের আমনে-সামনে হওয়া নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে ক্রিকেটপ্রেমীদের।
Advertisement
২০১১ সালেই দু’জনের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। সেই থেকে এই নিয়ে বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে অষ্টমবার মুখোমুখি লিয়ঁ ও অশ্বিন। সেই টক্করের অপেক্ষায় রোমাঞ্চিত অজি স্পিনার বলেছেন, ‘অ্যাশ দুর্দান্ত বোলার। আমি অবশ্য কেরিয়ার জুড়েই পাল্লা দিয়েছি ওর সঙ্গে। অনেক কিছু শিখেওছি ওকে দেখে। অ্যাশ রীতিমতো স্মার্ট বোলার। দ্রুত শেখার ক্ষমতা রয়েছে। মানিয়ে নিতেও পারে চটজলদি। বিশ্বের সেরা বোলারদের ক্ষেত্রে যা আবশ্যিক গুণ। বোলার হিসেবে কৃতিত্ব প্রাপ্য ওর। তিন বছর আগের সিরিজে ওই সেরা বোলার ছিল। তাই নির্দ্বিধায় ওকে হ্যাটস অফ!’
এশিয়ায় অশ্বিনের টেস্ট গড় ২১.৭৬। লিয়ঁর (৩০.৮১) থেকে যা ভালো। তবে এশিয়ার বাইরে এগিয়ে লিয়ঁ (৩০.০৯)। অশ্বিনের ক্ষেত্রে তা ৩৩.১৪। লিয়ঁর মতে, ‘আমি বরাবর বিশ্বাস করেছি যে বিপক্ষে থাকা ক্রিকেটাররাই সেরা কোচ। তাদের থেকেই বেশি শেখা যায়। কথাটা অশ্বিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ভারতে যাওয়ার আগে আমি ওর বোলিংয়ের ফুটেজ দেখতাম। ওর স্কিল আয়ত্তের চেষ্টা করতাম নেটে। ক্রিকেটে সবকিছু শেখা কারও পক্ষেই সম্ভব নয়। অশ্বিন নিশ্চিতভাবেই নিজের পারফরম্যান্সে গর্বিত।’ টেস্টের আঙিনায় আগামী দিনেও অশ্বিনের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি তিনি।
ভারতের বিরুদ্ধে গত দশ বছরে টেস্ট সিরিজ জেতেনি অস্ট্রেলিয়া। এবার সেই খরা কাটিয়ে উঠতে অভিজ্ঞ স্পিনার বদ্ধপরিকর। তাঁর কথায়, ‘এক দশক হয়ে গেল আমরা বর্ডার-গাভাসকর ট্রফি জিতিনি। সত্যি বলতে স্কোয়াডে থাকা খুব কমজনেরই ওই ট্রফি ধরার সৌভাগ্য হয়েছে। এবার এই ট্রফিটা জিততেই হবে। আমরা অবশ্য বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে গত বছর ভারতকে হারিয়েছি। সেটা আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে দলের।’ কোহলি সহ ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের সবার জন্যই যে স্ট্র্যাটেজি তৈরি, জানিয়েছেন লিয়ঁ। তাঁর মন্তব্য, ‘ভারতীয় দলে প্রচুর তারকা। আমাদের কাছে এই সিরিজ তাই মস্তবড় চ্যালেঞ্জের।’
এশিয়ায় অশ্বিনের টেস্ট গড় ২১.৭৬। লিয়ঁর (৩০.৮১) থেকে যা ভালো। তবে এশিয়ার বাইরে এগিয়ে লিয়ঁ (৩০.০৯)। অশ্বিনের ক্ষেত্রে তা ৩৩.১৪। লিয়ঁর মতে, ‘আমি বরাবর বিশ্বাস করেছি যে বিপক্ষে থাকা ক্রিকেটাররাই সেরা কোচ। তাদের থেকেই বেশি শেখা যায়। কথাটা অশ্বিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ভারতে যাওয়ার আগে আমি ওর বোলিংয়ের ফুটেজ দেখতাম। ওর স্কিল আয়ত্তের চেষ্টা করতাম নেটে। ক্রিকেটে সবকিছু শেখা কারও পক্ষেই সম্ভব নয়। অশ্বিন নিশ্চিতভাবেই নিজের পারফরম্যান্সে গর্বিত।’ টেস্টের আঙিনায় আগামী দিনেও অশ্বিনের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি তিনি।
ভারতের বিরুদ্ধে গত দশ বছরে টেস্ট সিরিজ জেতেনি অস্ট্রেলিয়া। এবার সেই খরা কাটিয়ে উঠতে অভিজ্ঞ স্পিনার বদ্ধপরিকর। তাঁর কথায়, ‘এক দশক হয়ে গেল আমরা বর্ডার-গাভাসকর ট্রফি জিতিনি। সত্যি বলতে স্কোয়াডে থাকা খুব কমজনেরই ওই ট্রফি ধরার সৌভাগ্য হয়েছে। এবার এই ট্রফিটা জিততেই হবে। আমরা অবশ্য বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে গত বছর ভারতকে হারিয়েছি। সেটা আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে দলের।’ কোহলি সহ ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের সবার জন্যই যে স্ট্র্যাটেজি তৈরি, জানিয়েছেন লিয়ঁ। তাঁর মন্তব্য, ‘ভারতীয় দলে প্রচুর তারকা। আমাদের কাছে এই সিরিজ তাই মস্তবড় চ্যালেঞ্জের।’



