নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে চোট পেয়েছিলেন মনবীর সিং। কোচিতে ম্যাচ শেষের পর সাপোর্ট স্টাফের কাঁধে ভর করে মাঠ ছাড়েন তিনি। মঙ্গলবার অনুশীলন করতে পারেননি পাঞ্জাবি ফুটবলার। ওড়িশা এফসি’র বিরুদ্ধে মনবীর কি খেলতে পারবেন? সাধারণত ম্যাচের দু’দিন আগে দল সাজিয়ে নেন হোসে মোলিনা। সেক্ষেত্রে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় থাকছে মনবীরের জন্য। চলতি আইএসএলে অন্যতম সেরা উইং হাফ তিনি। সবুজ-মেরুন জার্সিতে ২০ ম্যাচে ৫টি গোল ছাড়াও তিনটি অ্যাসিস্ট রয়েছে মনবীরের। সবচেয়ে বড় কথা, বড় মঞ্চে জ্বলে উঠতে জানেন তিনি। মোলিনার স্কোয়াডে মনবীরের বিকল্প পাওয়া কঠিন। একান্তই মাঠে নামতে না পারলে প্ল্যান ‘বি’ ভাবতে হবে থিঙ্কট্যাঙ্ককে। আশিক কুরুনিয়ান অপশন হতেই পারেন। কিন্তু তিনি লেফট উইং হাফেই সাবলীল। সেক্ষেত্রে জায়গা বদলাতে হবে লিস্টনকে। আপাতত মনবীরের ফিট হওয়ার অপেক্ষায় গোটা দল।
Advertisement
মঙ্গলবার ওড়িশা ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু করল মোহন বাগান। আসেননি সাহাল আবদুল সামাদ। এছাড়া আশিস রাই, মনবীররাও সাইড লাইনে রিহ্যাব করলেন। তবে কার্ড সমস্যা মিটিয়ে স্টুয়ার্টের কামব্যাক স্বস্তির কারণ। আসলে ম্যাকা, কামিংসের ঝলকানিতে কেরল গাঁট টপকালেও মাঝমাঠ নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। দীপক টাংরি বা আপুইয়ার ভুল থেকে গোল হতেই পারত কেরল। মনে রাখতে হবে, ওড়িশায় হুগো বোমাস, আহমেদ জাহুর মতো মিডফিল্ডার রয়েছেন। পুরনো দলের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে মুখিয়ে বোমাসরা। তাই দ্রুত মাঝমাঠের দখল নেওয়া দরকার। প্রথম পর্বে ভুবনেশ্বরে দু’দলের সাক্ষাৎ ১-১ গোলে ড্র হয়। হুগো বোমাস লোবেরা ব্রিগেডকে এগিয়ে দেওয়ার পর গোল শোধ করেন মনবীর সিং। যুবভারতীতেও আক্রমণাত্মক ফুটবলই লোবেরার হাতিয়ার। কারণ লিগ টেবিলে তাঁর দল এখন সপ্তম স্থানে রয়েছে। সুপার সিক্সে পৌঁছতে গেলে জিততে হবে। তাই যে কোনও মূল্যে মরণ কামড় দিতে তৈরি ওড়িশা।



