সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: ওয়ার্ক অর্ডারের পরেও গঙ্গারামপুরের বাজিতপুরে কালভার্টের কাজ শুরু করতে ঢিলেমি ঠিকাদার সংস্থার। বিক্ষোভের পর কাজ শুরু করতে বিশেষ নজরদারি জেলা পূর্ত দপ্তরের। গঙ্গারামপুর ব্লকের নন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চেঁচড়া মোড় থেকে বাজিতপুর যাওয়ার মাঝে পাটুল মাদ্রাসা এলাকার নয়ানজুলির উপরে রয়েছে কালভার্টটি। গ্রামবাসীরা কালভার্টে সাঁকো তৈরি করে নিত্যদিন যাতায়াত করেন। বাজিতপুর, সাদিপুর, হরিগণেশপুর, সিংরাইল, কবিরপুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষকে গঙ্গারামপুর ও বুনিয়াদপুরে বিভিন্ন কাজে আসতে হয় ওই সাঁকোর উপর দিয়ে। একাধিকবার প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। যার কারণে গ্রামবাসীরা নিজের চেষ্টায় এলাকায় সাঁকো তৈরি করেন।
Advertisement
রাজ্য সরকারের উন্নয়ন তহবিল থেকে ৪২ লক্ষ টাকা বরাদ্দে ব্রিজ নির্মাণের জন্য শিলান্যাস হলেও ঠিকাদার সংস্থা কাজ শুরু না করায় উঠছে প্রশ্ন। গত ১৮ জানুয়ারি ছাত্রবোঝাই একটি টোটো আটকে যায় গঙ্গারামপুরের বাজিতপুরের ভাঙা সাঁকোয়। বড়সড় দুর্ঘটনার আগেই পড়ুয়াদের উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। এলাকার মানুষ ক্ষোভে চেঁচড়া মোড় এলাকায় রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।
ঠিকাদার সংস্থাকে ওয়ার্ক অর্ডার দিলেও কেন এখনও কাজ হচ্ছে না তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। জেলা পরিষদের সদস্য মৃণাল সরকার বলেন, আমরা ঠিকাদারকে দিয়ে কাজের সূচনা করিয়েছিলাম। তারপর থেকে কুশমণ্ডির ঠিকাদার সংস্থা কাজে হাত দেয়নি। এনিয়ে জেলা পরিষদ চিঠি পর্যন্ত করেছে। কাজ শুরুর ৯০ দিনের সময়সীমাও শেষ। সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। বিষয়টি নিয়ে জেলা পরিষদে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, ঠিকাদার সংস্থাকে চাপ দিয়েছি কাজ শুরু করার জন্য। দ্রুত কাজ শেষ করতে হবে।
ঠিকাদার সংস্থাকে ওয়ার্ক অর্ডার দিলেও কেন এখনও কাজ হচ্ছে না তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। জেলা পরিষদের সদস্য মৃণাল সরকার বলেন, আমরা ঠিকাদারকে দিয়ে কাজের সূচনা করিয়েছিলাম। তারপর থেকে কুশমণ্ডির ঠিকাদার সংস্থা কাজে হাত দেয়নি। এনিয়ে জেলা পরিষদ চিঠি পর্যন্ত করেছে। কাজ শুরুর ৯০ দিনের সময়সীমাও শেষ। সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। বিষয়টি নিয়ে জেলা পরিষদে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, ঠিকাদার সংস্থাকে চাপ দিয়েছি কাজ শুরু করার জন্য। দ্রুত কাজ শেষ করতে হবে।



