নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ১১ জনের প্রতিনিধিদলে ন’জন মহিলা সাংসদকে দেখে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বেজায় খুশি। বলেই ফেললেন, আপনাদের দলে এতজন মহিলা সাংসদকে দেখে ভালো লাগছে। তৃণমূলের বক্তব্য অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে শুনেওছেন তিনি। যদিও রাজ্য বিধানসভায় সর্বসম্মতিতে পাশ হওয়া ‘দ্য অপরাজিতা উওম্যান অ্যান্ড চাইল্ড (ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্রিমিনাল লস অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল’ সংক্রান্ত তৃণমূল প্রতিনিধিদলের মূল দাবির বিষয়টি ‘খতিয়ে দেখব’ বলে আশ্বাস দেওয়া ছাড়া কিছু মেলেনি। তবুও এ ব্যাপারে কোনও ক্ষোভ নেই তৃণমূলের। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, রাষ্ট্রপতি আমাদের কথা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শুনেছেন। আপ্যায়নেরও কোনও ত্রুটি ছিল না। বাংলায় তৃণমূলের ১১ মহিলা সাংসদের বিষয়টিকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে নির্বাচন কমিশনও। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন সংক্রান্ত বিস্তারিত একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে কমিশন। সেখানে গোটা দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকেই সবচেয়ে বেশি মহিলা প্রতিনিধি জিতে আসার বিষয়টিকে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাচক্রে ১১ জন মহিলা সাংসদই তৃণমূলের। বিজেপির ১২ জন লোকসভার সদস্য হলেও একজনও মহিলা নেই। লোকসভার ৫৪৩ সাংসদের মধ্যে মহিলার সংখ্যা ৭৪। নির্বাচনে মহিলাদের অংশীদারি ক্রমশ বাড়ছে বলেও জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। ২০২৪ সালের ভোটে পুরুষ ভোটদাতার হার ৬৫.৫৫ শতাংশ। কিন্তু মহিলা ভোটদাতা ৬৫.৭৮ শতাংশ। নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি মহিলা প্রার্থী দেখা গিয়েছিল মহারাষ্ট্রে (১১১ জন)। তারপরই উত্তরপ্রদেশ (৮০ জন)। তামিলনাড়ুতে ৭৭ জন মহিলা প্রার্থী ভোট লড়েছিলেন। এতদসত্ত্বেও অষ্টাদশ লোকসভায় সর্বাধিক মহিলা সাংসদ বাংলা থেকেই। এবং সেটি তৃণমূল কংগ্রেস।



