নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সামাজিক মাধ্যমে প্রচারের অভিমুখ কেমন হবে? শনিবার শ্রমিক ভবনে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপের সঙ্গে বৈঠক করে সেই কথাই জানালেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম ও রাজ্য সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য কল্লোল মজুমদার। তাঁদের বক্তব্য, তৃণমূলকে নিয়ে তো বলা হচ্ছেই। বিভাজনের রাজনীতি ভাঙতে হলে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচার বাড়াতে হবে।
কল্লোল মজুমদার বলেন, ‘আগে রাম পরে বাম! এমন একটা প্রচারের মাধ্যমে আমাদের অনেক ভোট গিয়েছে। তৃণমূলের কথা তো আমরা বলেই থাকি। এর মাঝে বিজেপি ঢুকে পড়ছে। বাইনারি রাজনীতির ভয় আমাদের বোঝাতে হবে। তাই প্রচারে পয়েন্ট ধরে ধরে বিজেপির বিরুদ্ধেও বলতে হবে।’ কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘বুথে বুথে কাজ করতে হবে। যাঁরা সিপিএমের পুরানো ভোটার, তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তাঁদের অবস্থানও জানতে হবে।’ রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের বার্তা, ‘নেগেটিভ কথাবার্তা বলা বন্ধ করুন। বামপন্থার কথা বলুন।’ এদিনের আলোচনা সভায় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বও ছিল। সেখানে এক প্রশ্নের জবাবে সেলিম বলেন, ‘আপনাদের বুঝতে হবে, আরএসএস আলাদা জিনিস। বিজেপি ছাড়াও ওদের হাতে অনেক দল রয়েছে। যখন ইচ্ছা তাদের নামিয়ে দেবে।’ কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতা কেন হল না? সভ্য-সদস্য, এমনকি নেতৃত্বের মানোন্নয়নের প্রশ্নে সহমত হন সেলিম। তাঁর কথায়, ‘আমরা বলছি বামপন্থার পুনরুত্থানের কথা।’ কাজেই কোনো বামপন্থী দলের সম্পর্কে কটুক্তি না করার কথা বলেন তিনি। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই শিলিগুড়িতে বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্য বিজেপিতে চলে যাওয়া ভোট সিপিএমে ফেরানোর কথা বলেছিলেন। এদিন কার্যত সেকথাই দলের সোশ্যাল মিডিয়ার কর্মী-সমর্থকদের বুঝিয়ে দিয়েছে সিপিএম নেতৃত্ব।