Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাজি বাজারেও অপারেশন সিন্দুরের ঝলক! ইংলিশবাজারে তুঙ্গে ড্রোন বাজির চাহিদা

মালদহ বাজি বাজারেও বহুচর্চিত ‘অপারেশন সিন্দুর’ এর ঝলক। ড্রোন দিয়ে ভারতীয় সেনা পাকিস্তানে পরপর হামলা চালিয়েছিল। তারই অনুকরণে ড্রোন বাজির চাহিদা এবছর সবচেয়ে বেশি হতে চলেছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। যা দীপাবলির বাজি বাজারের মূল আকর্ষণ হতে চলেছে।

বাজি বাজারেও অপারেশন সিন্দুরের ঝলক! ইংলিশবাজারে তুঙ্গে ড্রোন বাজির চাহিদা
  • ১৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:১০
Prefer us on Google

সন্দীপন দত্ত, মালদহ: মালদহ বাজি বাজারেও বহুচর্চিত ‘অপারেশন সিন্দুর’ এর ঝলক। ড্রোন দিয়ে ভারতীয় সেনা পাকিস্তানে পরপর হামলা চালিয়েছিল। তারই অনুকরণে ড্রোন বাজির চাহিদা এবছর সবচেয়ে বেশি হতে চলেছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। যা দীপাবলির বাজি বাজারের মূল আকর্ষণ হতে চলেছে। 

Advertisement

গত এপ্রিলে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা হামলা চালায় কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে। পাকিস্তানকে কড়া জবাব দিতে মে মাসে ‘অপারেশন সিন্দুর’ শুরু করে ভারত। স্থল, জল এবং আকাশপথে এই হামলা মূলত ছিল ড্রোন নির্ভর। বাজি ব্যবসায়ীদের মতে, এই ড্রোন বাজি আগেও ছিল। তবে, চাহিদা ততটা ছিল না। অপারেশন সিন্দুরের পর থেকে ড্রোন বাজির চাহিদা কয়েকগুণ বাড়তে চলেছে। সেকথা মাথায় রেখে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী ড্রোন বাজি সরবরাহ করতে বিপুল পরিমাণে তা মজুত করছেন ব্যবসায়ীরা। 
মালদহ আতশবাজি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক অশোক সাহা জানান, ড্রোন বাজির চাহিদা এবছর সবথেকে বেশি। তাই সেসব বেশি করে মজুত করা হচ্ছে। এরপরেই রয়েছে হেলিকপ্টার বাজির চাহিদা। অন্যান্য বাজিও বিপুল পরিমাণে বিক্রি হবে বলে আশা। 
ড্রোন বাজির আকার সাধারণ ড্রোনের মতোই। যার একটি নির্দিষ্ট জায়গায় আগুন ধরিয়ে দিলে ড্রোনের মতো বিভিন্ন রঙের আলো জ্বলতে শুরু করে এবং ধীরে ধীরে প্রায় চারতলা উচ্চতায় পৌঁছে যায়। এক এক পিস ড্রোন বাজির দাম ৪০-৫০ টাকা। এক প্যাকেটে থাকে পাঁচটি।
ড্রোন, হেলিকপ্টারের পাশাপাশি এবছর আরও কয়েকটি নতুন বাজি বাজার মাতাবে। তার মধ্যে অন্যতম ক্র্যাকলিং স্টিক, ব্যাট-বল। 
আজ, সোমবার সন্ধ্যায় ইংলিশবাজার শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের এগ্রিকালচার মাঠে বাজি বাজারের উদ্বোধন করবেন জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া, পুলিস সুপার প্রদীপ কুমার যাদব সহ অন্যরা। আয়োজনে রয়েছে মালদহ মার্চেন্টস চেম্বার অফ কমার্স। 
ইংলিশবাজার ছাড়াও মালদহ জেলার সামসি, চাঁচল, গাজোল, পাকুয়া, কালিয়াচকে বাজি বাজার হতে চলেছে। এছাড়াও বুলবুলি এবং অমৃতিতেও বাজি বাজার করার চেষ্টা চলছে। ১৩ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত বাজার খোলা থাকবে। 
মালদহ মার্চেন্টস চেম্বার অফ কমার্সের সাধারণ সম্পাদক উত্তম বসাক জানান, জেলাশাসকের তত্পরতায় সুন্দরভাবে এই বাজি বাজারের আয়োজন করা হচ্ছে।  বাজি বাজারের দোকানঘর তৈরির কাজ চলছে। রবিবার তোলা নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ