নয়াদিল্লি: অপারেশন সিন্দুরের পর এক বছর অতিক্রান্ত। এখনও পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় পর্যটকদের উপর পাকিস্তানি জঙ্গি হামলার ক্ষত দগদগে। অপারেশন সিন্দুরে তারই প্রতিশোধ নেয় ভারত। তারপর আরও তলানিতে ভারত-পাক কূটনৈতিক সম্পর্ক। এই অবস্থায় সীমান্তের দু’পারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে উদ্যোগী হলেন দুই দেশেরই গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং রাজনীতিবিদরা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের উদ্দেশে ‘খোলা চিঠি’ লিখে তাঁরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং শান্তি ফেরানোর আরজি জানিয়েছেন।
চিঠিটিতে স্বাক্ষর করেছেন মোট ১১৭ জন ব্যক্তি। এঁদের মধ্যে ৬১ জন ভারতের এবং ৫৬ জন পাকিস্তানের। সেই ভারতীয়দের মধ্যে রয়েছেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রধান ফারুক আবদুল্লা, বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা মিরওয়াইজ উমর ফারুক, পিডিপি প্রধান মেহবুবা মুফতি, আরজেডি সাংসদ মনোঝ ঝা, এমনকি পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্তমান বিধায়ক হুমায়ুন কবির প্রমুখ। পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষর করেছেন প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী খুরশিদ মেহমুদ কাসুরি, প্রাক্তন কূটনীতিক আশরফ জাহাঙ্গির কাজি, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি মেম্বার ইসফানার ভান্ডারা এবং পরমাণু বিজ্ঞানী তথা লেখক পারভেজ হুদভয় সহ অনেকে।
দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, নয়াদিল্লি এবং ইসলামাবাদে হাই কমিশনার নিয়োগ, ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিক করা এবং বাণিজ্যিকভাবে দুই দেশকেই আকাশপথ খুলে দেওয়ার আরজি জানিয়েছেন তাঁরা। তবে সেই আবেদনে কতটা কাজ হবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ মোদি সরকারে অবস্থান স্পষ্ট— ‘সন্ত্রাস এবং আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না।’