নয়াদিল্লি: গতমাসে ভেনেজুয়েলায় মৃত্যু হয়েছিল ভারতীয় নাবিকের। সম্প্রতি তাঁর দেহ দেশে ফেরানো হয়। এরপর দেহের ময়নাতদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, নিহত নাবিকের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নেই। উধাও মস্তিষ্ক, লিভার ও হৃদপিণ্ডও। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে ফেডারেশন অব সিফেয়ারার্স ইউনিয়নস অব ইন্ডিয়া (এফএসইউআই)। তাদের প্রশ্ন, অটোপসি রিপোর্ট ছাড়াই কীভাবে দেহ পাঠিয়ে দেওয়া হল? ভেনেজুয়েলার প্রশাসনও এব্যাপারে কোনো তথ্য দেয়নি কেন? গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি করেছে ওই সংগঠন। মৃত নাবিকের নাম রাকেশ চৌহান (৩৩)। আদতে উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়ার এই বাসিন্দা স্ত্রী, সন্তান, বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে মুম্বইতে থাকতেন। ভেনেজুয়েলার জাহাজ সংস্থায় ফিটারের কাজ করতেন তিনি। ২০২৫ সালে নভেম্বরে মার্চেন্ট নেভিতে যোগ দেন রাকেশ। ৭ মে তাঁর বাবা রামদেবের কাছে জাহাজ সংস্থা থেকে ফোন আসে। জানানো হয়, পড়ে গিয়ে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন রাকেশ। পরে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। সন্ধ্যায় সংস্থার এক কর্তা ফোন করে জানান, রাকেশের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু দেহ দেশে ফেরার পর সন্দেহ হয় পরিবারের। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দেহের ময়নাতদন্তে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এরপরই ঘটনার তদন্ত দাবি করেছে তারা। এফএসইউআইয়েরও দাবি, রাকেশের অটোপসির বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশ করা হোক। গোটা প্রক্রিয়ায় প্রচুর অনিয়ম রয়েছে। বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দরকার—পরিবারকে না জানিয়ে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলি কে সরিয়ে নিল? ভেনেজুয়েলার ভারতীয় দূতাবাসকে বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখার আরজি জানিয়েছে ওই সংস্থা।



