প্যারিস, ৫ ডিসেম্বর: ফ্রান্সে রাজনৈতিক অস্থিরতা! সংসদের নিম্নকক্ষে অনাস্থা ভোটে হেরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মিচেল বার্নিয়ের। তাই মাত্র তিনমাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরে যেতে হবে তাঁকে। সরকারের পতন হল মাত্র তিন মাসেই। যা গত ৬০ বছরে ফ্রান্সের রাজনৈতিক ইতিহাসে হয়নি। বেশ কিছুদিন ধরেই ফ্রান্সের রাজনীতিতে টালমাটাল পরিস্থিতি চলছিল। সমস্যাটি আরও গুরুতর হয় যখন বিতর্কিত জাতীয় বাজেট বিশেষ ক্ষমতাবলে সংসদে পাস করাতে যান প্রধানমন্ত্রী মিচেল। তখনই বিরোধী দলের সাংসদরা তাঁর বিরুদ্ধে সংসদে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। যার ফলে সংসদের নিম্নকক্ষে ভোটাভুটি হয়। সেখানে দেখা যায় সংসদের নিম্নকক্ষের ৫৭৭ জন সদস্যের মধ্যে ৩৩১ জনই অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। যার ফলে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যেতে হচ্ছে মিচেল বার্নিয়েরকে। আজ, বৃহস্পতিবারই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁর কাছে ইস্তফাপত্র পাঠাবেন মিচেল বার্নিয়ের। তবে যতদিন না ফ্রান্সের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করছেন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ, ততদিন পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন মিচেল বার্নিয়ের। সূত্রের খবর, আজ বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন ফ্রান্সের বর্তমান প্রেসিডেন্ট। সরকারি কোষাগারে ক্রমশ বাড়ছে ঘাটতি। তাই বিভিন্ন খাতে একধাক্কায় ৬ হাজার কোটি ইউরো কর বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়ে জাতীয় বাজেট পাস করাতে যান প্রধানমন্ত্রী বার্নিয়ের। যার তীব্র বিরোধীতা করেন বিরোধী দলের সাংসদরা। তাঁদের কথা না শুনে নিজের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে গিয়েই অনাস্থা প্রস্তাবের মুখে পড়ে হারতে হল তাঁকে।



