নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অনুমোদনহীন মাদ্রাসার স্বীকৃতি প্রদান প্রক্রিয়া ফের শুরু করেছে রাজ্য সরকার। তবে এজন্য তাদের কিছু শর্ত মানতে হবে। সরকারি সূত্রের খবর, এই দফায় ৩১৪টি মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দেওয়ার কাজ চলছে। আগের দফায় স্বীকৃতি পায় ২৩৪টি মাদ্রাসা। চলতি দফার জন্য মাদ্রাসাগুলিতে চিঠি পাঠানো শুরুও হয়ে গিয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড অব মাদ্রাসা এডুকেশনের ওই চিঠিতেই থাকছে শর্তাবলি।
Advertisement
মাদ্রাসা ও সংখ্যালঘু উন্নয়ন দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক জানান, অনুমোদনহীন মাদ্রাসাগুলিকে সরকারি স্বীকৃতির মাধ্যমে সেখানে শিক্ষা ব্যবস্থাসহ সামগ্রিক উন্নয়নের সিদ্ধান্ত বর্তমান রাজ্য সরকার অনেক আগেই নিয়েছে। সেই প্রক্রিয়াই চলছে। তবে অনুমোদনহীন মাদ্রাসাগুলিকে স্বীকৃতি দিলেও তাদের পুরো আর্থিক দায় সরকার নেয় না, কিছু খাতে অনুদান দেয়। এর মধ্যে উন্নয়নমূলক কাজের খরচসহ নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষককে ভাতা হিসেবেও কিছু টাকা দেওয়া হয়।
পুরোপুরি সরকারি অর্থে পরিচালিত মাদ্রাসার সংখ্যা রাজ্যে ছ’শোর কিছু বেশি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, সেখানে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের বেতন দেওয়া হয়, পড়াশোনা হয় মাদ্রাসা বোর্ডের সিলেবাস অনুযায়ী এবং নিয়োগ করা হয় মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে।
অনুমোদনহীন মাদ্রাসাগুলিতে পড়াশোনা হয় তাদের নিজস্ব সিলেবাস অনুযায়ী। সরকারি স্বীকৃতি পেতে সেগুলিকে বোর্ডের সিলেবাস মানতে হবে। রয়েছে আরও কিছু নিয়ম। যেসব মাদ্রাসায় সহশিক্ষা (কো-এডুকেশন) ব্যবস্থা চলে সেখানে বাধ্যাতামূলকভাবে অন্তত একজন শিক্ষিকা ও মহিলা শিক্ষাকর্মীকে রাখতে হবে। প্রতিবছর মাদ্রাসা খরচের অডিট করে তা বোর্ডের কাছে পাঠাতে হবে। জুনিয়র হাই মাদ্রাসায় অন্তত ১২০ জন এবং সিনিয়র হাই মাদ্রাসায় অন্তত ২০০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মাদ্রাসাগুলিতে পরিদর্শন করতে পারবে বোর্ড। টিউশন ফি বৃদ্ধির আগে মাদ্রাসাগুলিকে বোর্ডের অনুমতি গ্রহণ আবশ্যক। মাদ্রাসার জমির মালিকানা, বিল্ডিং প্ল্যান প্রভৃতিও জমা দিতে বলা হয়েছে। স্বীকৃতি পাওয়ার একবছরের মধ্যে পরিচালন কমিটি গঠন করতে হবে। শর্ত লঙ্ঘন করলে স্বীকৃতি বাতিল করতে পারবে সরকার।
পুরোপুরি সরকারি অর্থে পরিচালিত মাদ্রাসার সংখ্যা রাজ্যে ছ’শোর কিছু বেশি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, সেখানে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের বেতন দেওয়া হয়, পড়াশোনা হয় মাদ্রাসা বোর্ডের সিলেবাস অনুযায়ী এবং নিয়োগ করা হয় মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে।
অনুমোদনহীন মাদ্রাসাগুলিতে পড়াশোনা হয় তাদের নিজস্ব সিলেবাস অনুযায়ী। সরকারি স্বীকৃতি পেতে সেগুলিকে বোর্ডের সিলেবাস মানতে হবে। রয়েছে আরও কিছু নিয়ম। যেসব মাদ্রাসায় সহশিক্ষা (কো-এডুকেশন) ব্যবস্থা চলে সেখানে বাধ্যাতামূলকভাবে অন্তত একজন শিক্ষিকা ও মহিলা শিক্ষাকর্মীকে রাখতে হবে। প্রতিবছর মাদ্রাসা খরচের অডিট করে তা বোর্ডের কাছে পাঠাতে হবে। জুনিয়র হাই মাদ্রাসায় অন্তত ১২০ জন এবং সিনিয়র হাই মাদ্রাসায় অন্তত ২০০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মাদ্রাসাগুলিতে পরিদর্শন করতে পারবে বোর্ড। টিউশন ফি বৃদ্ধির আগে মাদ্রাসাগুলিকে বোর্ডের অনুমতি গ্রহণ আবশ্যক। মাদ্রাসার জমির মালিকানা, বিল্ডিং প্ল্যান প্রভৃতিও জমা দিতে বলা হয়েছে। স্বীকৃতি পাওয়ার একবছরের মধ্যে পরিচালন কমিটি গঠন করতে হবে। শর্ত লঙ্ঘন করলে স্বীকৃতি বাতিল করতে পারবে সরকার।



