Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সিউড়ি-কলকাতা ট্রেন চলাচল করে মাত্র ৩টি! সংখ্যা বাড়ানোর দাবি শহরবাসীর

জেলার সদর শহর হলেও সিউড়ির রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত করুণ। সিউড়ি থেকে কলকাতাগামী ট্রেন চলে মোটে তিনটি

সিউড়ি-কলকাতা ট্রেন চলাচল করে মাত্র ৩টি! সংখ্যা বাড়ানোর দাবি শহরবাসীর
  • ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, সিউড়ি: জেলার সদর শহর হলেও সিউড়ির রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত করুণ। সিউড়ি থেকে কলকাতাগামী ট্রেন চলে মোটে তিনটি। এছাড়া সিউড়ি-বোলপুর রুটে কোনও ট্রেনই নেই! অথচ প্রচুর মানুষ রোজ কাজের জন্য নিয়মিত সিউড়ি থেকে কলকাতায় যান। তাই আরও ট্রেনের দাবি তুলে সরব হয়েছেন শহরবাসী। এমনকি, সিউড়ি-বোলপুর রুটেও ট্রেন চালানোর দাবি তুলছেন অনেকেই। 

Advertisement


শহরবাসীর দাবি, সিউড়ি শহর মূলত প্রশাসনিক হেড কোয়ার্টার। অথচ নানান ক্ষেত্রে জেলার অন্য মহকুমা শহরগুলির চেয়ে বিস্তর পিছিয়ে সিউড়ি। তার মধ্যে অন্যতম ট্রেনের যোগাযোগ ব্যবস্থা। শহরবাসীর দাবি, সিউড়ি থেকে হাতে গোনা তিনটি ট্রেন কলকাতার উদ্দেশে যায়। তার মধ্যে একটি সিউড়ি থেকে ভোর ৫টা বেজে ৫ মিনিটে ছাড়ে। ময়ূরাক্ষী এক্সপ্রেসের সিউড়ি স্টেশনে ছাড়ার সময় সকাল ৬টা বেজে ১৫ মিনিট। এরপর ট্রেনে করে সিউড়ি থেকে কলকাতা যেতে গেলে প্রায় ৭ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে। কারণ তৃতীয় ট্রেন রয়েছে দুপুর ১টা বেজে ৪০ মিনিটে। স্বাভাবিকভাবেই জেলা সদর শহর হলেও ট্রেন যোগাযোগ এখানে অত্যন্ত খারাপ।
শহরবাসীর দাবি, সিউড়ি থেকে প্রচুর মানুষ নিয়মিত কলকাতা, দুর্গাপুর এই রুটে যাতায়াত করে থাকেন। তাঁদের অনেকেই ব্যবসায়িক কাজে কলকাতায় যান। অনেককে আবার চিকিৎসার জন্যও যেতে হয়। কিন্তু ট্রেনের সংখ্যা হাতেগোনা হওয়ায় মানুষকে বেশিরভাগ সময় বাসে যেতে হয়। তাতেও রয়েছে সমস্যা। কারণ সিউড়ি-কলকাতা রাস্তায় প্রায়শই যানজট হয়। ফলে,  যানজটে আটকে গেলে ৬ ঘণ্টার জায়গায় আরও বেশি সময় লেগে যায়। তাই সকালের দিকে সিউ‌঩ড়ি থেকে আরও একটি ট্রেন চালানোর দাবি তুলছেন বাসিন্দারা। 


শহরবাসীর অভিযোগ, আগে তাও বিকেল দিকে কলকাতাগামী একটি ট্রেন চলত। কিন্তু বছর চারেক আগে সেটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ দুপুরে হুল এক্সপ্রেসের পর সিউড়ি থেকে কলকাতা যাওয়ার কোনও ট্রেন পরিষেবাই নেই। কেবল সিউড়ি-কলকাতাই নয়, স্থানীয়রা সিউড়ি থেকে সাঁইথিয়া, রামপুরহাট ও বোলপুর যাওয়ার জন্য ট্রেন থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন। সিউড়ির ব্যবসায়ী সমিতির তরফে কিশান পাল বলেন, ট্রেনের যোগাযোগ আরও ভালো হওয়া উচিত। শিয়ালদহ মেমু ট্রেন চালু হওয়ায় মানুষের উপকার হয়েছে ঠিকই, কিন্তু যবে ময়ূরাক্ষী এক্সপ্রেস দেওঘর থেকে হল্টিং করেছে সেদিন থেকে ওই ট্রেনে জায়গা পাওয়াই মুশকিল হয়ে গিয়েছে। ফলে সিউড়ি থেকে ওঠা যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ