Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জনপ্রতিনিধির সঙ্গে ছবি থাকলেই বিজেপি কর্মী নন, কড়া বার্তা চন্দ্রকোণার বিধায়কের

জনপ্রতিনিধির সঙ্গে ছবি থাকলেই কেউ পদ্মশিবিরের কর্মী বা নেতা নন, স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন চন্দ্রকোণার বিজেপি বিধায়ক সুকান্ত দলুই।

জনপ্রতিনিধির সঙ্গে ছবি থাকলেই বিজেপি কর্মী নন, কড়া বার্তা চন্দ্রকোণার বিধায়কের
  • ২১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ঘাটাল: জনপ্রতিনিধির সঙ্গে ছবি থাকলেই কেউ পদ্মশিবিরের কর্মী বা নেতা নন, স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন চন্দ্রকোণার বিজেপি বিধায়ক সুকান্ত দলুই। তিনি বলেন, রাজ্যে সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়ের পর তৃণমূল বিপর্যস্ত হতেই এক শ্রেণির ‘সুযোগ সন্ধানী’ মানুষের অতি-সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। দলের নাম ভাঙিয়ে নিজস্ব স্বার্থ চরিতার্থ করার এই প্রবণতা রুখতেই এবার কড়া বার্তা দিলেন বিধায়ক।

Advertisement

দলীয় সূত্রে খবর, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির অভাবনীয় জয়ের পিছনে নিষ্ঠাবান কর্মী, নেতা এবং সমর্থকদের অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু ভোট গণনা শেষ হতেই দেখা যাচ্ছে এক অদ্ভুত চিত্র। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত যাঁদের সঙ্গে বিজেপির সঙ্গে দূরতম সম্পর্ক ছিল না, এমনকি যাঁরা পদ্ম চিহ্নে ভোটও দেননি, তাঁদের অনেকেই এখন রাতারাতি বড় বিজেপি সাজার চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছেন। বিধায়ক বা শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলে, নিজেদের অতি-ঘনিষ্ঠ দাবি করে বাজারে প্রভাব খাটানোর একটি অসাধু চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
এই প্রসঙ্গে ক্ষোভ ও সতর্কতা প্রকাশ করে বিধায়ক সুকান্ত দলুই বলেন, অনেকেই আমার বাড়িতে আসছেন ফুল নিয়ে, আবার অনেকেই রাস্তাঘাটে ছবি তুলছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকে চেনা সহযোদ্ধা যেমন আছেন, তেমনই বহু মানুষ সম্পূর্ণ অচেনা। আমার সঙ্গে ছবি আছে মানেই সে বিজেপির লোক নয় বা আমার ঘনিষ্ঠ নয়। কেউ সামনে আসলে তাঁর সঙ্গে কথা বলা বা ছবি তুলতে দেওয়াটা সৌজন্য ও ভদ্রতা। আমি শুধু সেই ভদ্রতাটুকু বজায় রাখার চেষ্টা করছি মাত্র।
রাজনৈতিক মহলের মতে, ক্ষমতার পালাবদলের পর এই ধরনের সুযোগ সন্ধানীদের ভিড় অত্যন্ত চেনা ছবি। বিজেপির এই সুসময়ে বহু মানুষ নিজেদের ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য সাধন করতে এবং পুরনো রাজনৈতিক পরিচয় ঢাকতে গেরুয়া শিবিরের নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন। বিধায়কের এই স্পষ্ট ও কঠোর বার্তার পর সেই সমস্ত মতলববাজদের দৌরাত্ম্য কিছুটা কমবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহল। দলের নিষ্ঠাবান কর্মীদের গুরুত্ব বজায় রাখতে এবং দলের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ রাখতেই বিধায়ক এই কড়া পদক্ষেপ করলেন বলে মনে করা হচ্ছে।

সম্পর্কিত সংবাদ