Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দত্তপুকুরে তিন হাজার কেজি নিষিদ্ধ বাজি সহ গ্রেপ্তার এক

দত্তপুকুরে তিন হাজার কেজি নিষিদ্ধ বাজি সহ গ্রেপ্তার এক
  • ১৯ মে, ২০২৫ ০৪:০৫
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ শব্দবাজি সহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল দত্তপুকুর থানার পুলিস। রবিবার সকাল থেকে দত্তপুকুর থানার ইছাপুর-নীলগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের মোচপোল, কাঠুরিয়া, নারায়ণপুর সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় আচমকা অভিযান চালায় পুলিস। তাতেই উদ্ধার হয়েছে প্রায় তিন হাজার কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি। পুলিস জানিয়েছে, এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে আজাহার আলি নামে এক ব্যবসায়ীকে। আজ, সোমবার তাকে বারাসত আদালতে তোলা হবে। এত পরিমাণ বাজি উদ্ধার হলেও কেন মাত্র একজনকে পুলিস গ্রেপ্তার করতে পারল, তা নিয়েই বিভিন্ন মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। কয়েকমাস আগে দত্তপুকুরের মোচপোলে বাজি বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ১০ জনের। ওই ঘটনার পর নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধারে নেমেছিল পুলিস। সেই সময় কিছুটা হলেও কমেছিল বাজি তৈরির রমরমা। তারপর সব আগের মতো শুরু হয়ে যায়। পুলিসের চোখকে ফাঁকি দিয়ে কিছু ব্যবসায়ী নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলেই অভিযোগ। ফলে, সিঁদুরে মেঘ দেখছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই অবস্থায় গোপন সূত্রে পুলিস খবর পায়, বাজি তৈরি করে বিক্রি চলছে। তারপর রবিবার দত্তপুকুরের ইছাপুর-নীলগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় পুলিস। জালশোকা, নারায়ণপুর, মোচপোলে পুলিসের পৃথক দু’টি টিম তল্লাশি চালায়। নারায়ণপুর থেকে আজাহারকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তার দোকান থেকেই প্রায় দেড় হাজার কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অন্যান্য এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে আরও দেড় হাজার কেজি নিষিদ্ধ বাজি। কিন্তু আর কেউ ধরা পড়ল না কেন? স্থানীয় একাংশের দাবি, ‘বড়মাথা’দের কাছে হয়তো অভিযানের খবর আগেভাগে পৌঁছে যায়! তাই  আগে থেকেই তারা গা-ঢাকা দেয়। দত্তপুকুর থানার পুলিস জানিয়েছে, নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার হয়েছে প্রায় তিন টন। এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। পুলিসি অভিযানের কথার জানার পরই অনেকে গা-ঢাকা দিয়েছে। এই ধরনের অভিযান চলতে থাকবে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ