নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: অমরাবতী মাঠের ভবিষ্যত কি? এখানে কি মাথা তুলবে বহুতল আবাসন। তীব্র গুঞ্জনের মাঝে মাঠ পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছে মালিক পক্ষ। তারা পুরসভাকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, ওই মাঠে মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল, নার্সিং কলেজ, কমিউনিটি সেন্টার ও খেলার মাঠ তৈরি করা হবে। যদিও স্থানীয়দের দাবি, হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী মাঠ বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না। মাঠের মধ্যে খাতায় কলমে থাকা জলা ও পুকুরের পরিমাণ কয়েক বিঘা। তার শ্রেণি পরিবর্তন না করা ও মাঠ রক্ষার দাবিতে ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। লাগাতার আন্দোলনে নেমেছে এপিডিআর। সব মিলিয়ে এই মাঠ পানিহাটি শহরে এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে। মাঠের মালিক সোস্যাইটি ফর দ্যা প্রটেকশন অব চিলড্রেন ইন ইন্ডিয়া (এসপিসিআই)।
Advertisement
এপিডিআর সংগঠনের পানিহাটি শাখার সম্পাদক শুভঙ্কর (তুফান) চক্রবর্তী বলেন, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বিশাল এই জমির মধ্যে প্রায় ১৩ বিঘা জলাজমি ও ডোবা রয়েছে। মাঠ বিক্রির সিদ্ধান্ত কতটা সত্যি তা জানতে প্রশাসনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করে চিঠি দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশে এই জমি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা যাবে না। এসপিসিআইয়ের সম্পাদক সৌভিক চট্টোপাধ্যায় বলেন, অমরাবতী মাঠ সামাজিক কাজে ব্যবহার করা হবে। জমির চরিত্র পরিবর্তন না করে এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মাঠে জলা ও পুকুরের পরিমাণ প্রায় তিন বিঘা। ওই জায়গায় খেলা ও মেলার মাঠ, মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল, নার্সিং কলেজ, সুইমিংপুল সহ নানা উন্নয়নমূলক কাজের পরিকল্পনা আমরা লিখিত ভাবে পুরসভাকে জানিয়েছি। আদালতের নির্দেশ ও পরিবেশ আইন মেনেই সমস্ত কাজ করা হবে। কিছু মানুষ বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছেন।



