Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জীবিত হয়েও সরকারিভাবে ‘মৃত’! রেশন না পেয়ে বিপাকে পরিবার

জীবিত হয়েও সরকারিভাবে ‘মৃত’! রেশন না পেয়ে বিপাকে পরিবার
  • ১৩ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বাস্তবে তিনি জীবিত! কিন্তু তারপরেও সরকারি তথ্য বলছে ‘মৃত’ রেশন গ্রাহক। ফলে, মিলছে না রেশনের সামগ্রী। আর এর জেনেই চরম বিপাকে পড়ে গিয়েছেন দেগঙ্গার বেড়াচাঁপা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কাহারপাড়ার বাসিন্দা সুকুমার কাহারের পরিবার। তবে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্যাটির দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেগঙ্গার বেড়াচাঁপা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের বেড়াচাঁপা কাহারপাড়ার বাসিন্দা সুকুমার কাহার পেশায় ভ্যানচালক। তাঁর মেয়ে চৈতালি কাহার জীবিত। কিন্তু প্রায় বছরখানেক তাঁর কার্ডে উঠছে না রেশন সামগ্রী বলে অভিযোগ। এ নিয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্বারস্থ হন ব্লক খাদ্যদপ্তরে। সেখানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয় রেশন কার্ডের কিছু ভুল রয়েছে। আর সেগুলি সংশোধন করতে হবে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও পরে নামের বানান সংশোধন করে পরিবারের সদস্যরা দ্বারস্থ হন দপ্তরে। এরপরে তাঁরা অফিসে গিয়ে জানতে পারেন সুকুমারের মেয়ে চৈতালি সরকারিভাবে মৃত! কিন্তু সে জলজ্যান্ত বেঁচে রয়েছেন। স্বাভাবিকভাবে খাদ্যদপ্তরের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানার পরেই কার্যত মাথায় হাত পড়ে গিয়েছে গোটা পরিবারের। এ বিষয়ে চৈতালির মা মিঠু কাহার বলেন, আমরা বিডিও অফিসে রেশন কার্ডের বিভিন্ন কাগজ সংশোধন করে গিয়ে জানতে পারি মেয়ে মৃত। সরকারিভাবে নথিতে সেটাই রয়েছে। আর সেই কারণে মেয়ের বরাদ্দ রেশন এক বছর ধরে পাচ্ছি না আমরা। এটা কীভাবে সম্ভব জানি না। আমরা চাই দ্রুত এ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এদিকে চৈতালির কথায়, মায়ের সঙ্গে আমি বিডিও অফিসে গিয়ে জানতে পারি, সরকারি খাতায় আমি মৃত। তারপর আমি ওঁদের বলি, এই তো আমি বেঁচে রয়েছি। তাহলে কী হল বলুন? 
এ বিষয়ে দেগঙ্গার বিডিও ফাহিম আলম বলেন, এখনও পর্যন্ত আমার কাছে লিখিত কোনও অভিযোগ আসেনি। এলেই দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। যাতে পরিবার সরকারি রেশন সঠিকভাবে পান সেই ব্যবস্থা করা হবে। - নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ