Bartaman Logo
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

প্রাক্তন পুলিশকর্তা শান্তনুর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে মামলা দায়ের, মমতা-ঘনিষ্ঠ অফিসার আরও বিপাকে

আরও বিপাকে পড়লেন কলকাতা পুলিশের ডিসি পদমযার্দার প্রাক্তন অফিসার শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। ইডির অভিযোগের ভিত্তিতে এবার তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে কেস রুজু করল গড়িয়াহাট থানা।

প্রাক্তন পুলিশকর্তা শান্তনুর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে মামলা দায়ের, মমতা-ঘনিষ্ঠ অফিসার আরও বিপাকে
  • ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আরও বিপাকে পড়লেন কলকাতা পুলিশের ডিসি পদমযার্দার প্রাক্তন অফিসার শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। ইডির অভিযোগের ভিত্তিতে এবার তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে কেস রুজু করল গড়িয়াহাট থানা। অথচ তাঁর কথা ছাড়া একসময়ে কলকাতা পুলিশে একটি পাতাও নড়ত না! সেই সংস্থাই এবার তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। পাশাপাশি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী জয় কামদার এবং দক্ষিণ কলকাতার ত্রাস সোনা পাপ্পুরও নাম রয়েছে এফআইআরে। এই মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে লালবাজার হেপাজতে নেবে।

Advertisement

কয়েকদিন আগে কলকাতা পুলিশের সঙ্গে ইডির বৈঠক হয় লালবাজারে। সেখানে শান্তনু সিনহা বিশ্বাস, জয় কামদার ও সোনা পাপ্পুর আর্থিক লেনদেনের তথ্য তুলে ধরে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তার ভিত্তিতে ছয়টি কেস রুজু করার সিদ্ধান্ত হয়। তার মধ্যে গড়িয়াহাট থানায় প্রথম এফআইআর করা হল। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যবসায়ী জয় কামদার, সোনা পাপ্পুসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে জমি দখলসহ নানারকম সুবিধা পাইয়ে দেন শান্তনু। তার বিনিময়ে নগদে, উপহার হিসাবে এবং পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ২ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকার আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন মমতা-ঘনিষ্ঠ এই অফিসার।  
ইডির দাবি, একটি সংস্থার কাছ থেকে ওই অফিসারের স্ত্রী বেতন হিসাবে ৭৪ লক্ষের বেশি টাকা পেয়েছেন। ব্যাপারটি শান্তনুর পদের অপব্যবহার করেই ঘুরপথে টাকা নেওয়া ছাড়া কিছু নয়। একটি কোম্পানির মাধ্যমে বেনামে দুটি দামি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন কালীঘাট থানার তদানীন্তন ওসি। নিজের ছেলেকে মেডিকেল কলেজে ভরতির ক্ষেত্রে প্রভাব খাটিয়ে ২০ লক্ষের আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। এমনকি মুর্শিদাবাদের কান্দিতে তাঁর বাড়ি সংস্কারের জন্য একজনের কাছ থেকে নিয়েছিলেন ৬১ লক্ষ টাকা। বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে নানা সময়ে ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। বিভিন্ন থানার ওসিদের পোস্টিং করিয়েও হাতাতেন মোটা টাকা। বিষয়গুলি আরও বিস্তারিত জানতেই শান্তনুকে হেপাজতে নিতে চায় কলকাতা পুলিশ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ