সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: হরিপালে তাদের জায়গায় থাকা দুই শতাধিক দোকান ভেঙে ফাঁকা করে দিল রেলদপ্তর। বাদ পড়েনি তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ও। রেলের পক্ষ থেকে বারে বারে নোটিশ দিয়ে জায়গা খালি করে দেওয়ার জন্য জানানো হয়েছিল হরিপালের হকার্স ইউনিয়নের সদস্যদের। তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক করবি মান্না ও মন্ত্রী বেচারাম মান্নার নেতৃত্বে দফায় দফায় এই উচ্ছেদ কর্মসূচির বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়। ফলে সেই কর্মসূচি বানচাল হয়ে যায়।
রাজ্যে পালাবদলের পর ফের ২ জুন রেলের জায়গায় থাকা দোকান সরিয়ে নেওয়ার নোটিশ দেয় রেল কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন স্টেশনে উচ্ছেদের ঘটনা শুনে দখলদাররা নিজেরাই বেশ কিছু দোকান সরিয়ে নেন। এরপর বুধবার রাতে বিশেষ অভিযানে হরিপাল স্টেশন চত্তরের সমস্ত বেআইনি দখলদারকে সরিয়ে দেয় রেল কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়ে হরিপালের বিধায়ক মধুমিতা ঘোষ জানান, রেলের জায়গা আইন অনুযায়ী তারা দখল করছে। প্রায় ২০০ বেশি ব্যবসায়ী কর্মহারা হয়েছেন। আমার ব্যক্তিগতভাবে খুব খারাপ লাগছে। তবে এলাকায় রেলের বড় প্রকল্প আসতে চলেছে। সেজন্য জায়গা প্রয়োজন। অন্যদিকে, আজ শুক্রবার নালিকুলে রেলের জায়গা দখল করে থাকা বাসিন্দা ও দোকান সরিয়ে নেওয়ার শেষ দিন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওই বসবাসকারী বা ব্যবসায়ীরা সরে না গেলে উচ্ছেদ অভিযান চালাবে রেল কর্তৃপক্ষ। নিজস্ব চিত্র