সংবাদদাতা, পতিরাম: অভিভাবকহীন দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়। উচ্চশিক্ষা দপ্তর নির্দেশ দিলেও কাজে যোগ দেননি উপাচার্য। এদিকে রেজিস্ট্রার ও কন্ট্রোলারের পাত্তা নেই। ফিনান্স অফিসার উজ্জ্বল দাসের কাঁধে ভর দিয়েই কোনওরকমে চলছিল বিশ্ববিদ্যালয়। তিনিও এবার ৩১ জানুয়ারি অবসর নেবেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও আধাঁর নামতে চলেছে বলে মনে করছেন পড়ুয়া ও শিক্ষকদের একাংশ।
Advertisement
বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক, কর্মীদের বেতন ও যাবতীয় খাতের বিল দেওয়া আগেই বন্ধ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, অর্থের অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট মেইনটেন্যান্সের চুক্তিও রিনিউ করা যায়নি। ফলে যে কোনও মুহূর্তে বন্ধ হতে পারে ওয়েবসাইট। এছাড়া উপাচার্য না থাকায় প্রথম ও তৃতীয় সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষাও নেওয়া যাচ্ছে না। সবমিলিয়ে ডামাডোল পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজায় এবার তালা পড়তে পারে বলে আশঙ্কা। ফিনান্স অফিসার বলেন, উপাচার্য না থাকায় বেতন দেওয়া থেকে শুরু করে নানা আর্থিক সমস্যা হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষাও নেওয়া যাচ্ছে না। তবুও ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে পরীক্ষা হতে পারে বলে একটি তারিখ দিয়েছি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার কাজের মেয়াদ এই মাস পর্যন্ত।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, গত ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের তরফে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে প্রণব ঘোষের নাম ঘোষণা করা হয়। ফলে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তৎকালীন উপাচার্য দেবব্রত মিত্র দায়িত্বভার ছেড়ে চলে যান। প্রায় এক মাস ধরে উপাচার্যের আসন ফাঁকা। ফিনান্স অফিসার চেষ্টা করলেও এক্তিয়ার না থাকায় অনেক কিছুই করতে পারেননি। এবার তিনিও চলে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে চলবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। অতিথি অধ্যাপক রাজু পালের কথায়, আমরা বেতন না পেয়েও পড়ুয়াদের স্বার্থে ক্লাস চালিয়ে যাচ্ছি। সামনেই পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু আরও নানা সমস্যা হচ্ছে পড়ুয়াদের। একমাত্র উপাচার্য এলেই জট কাটবে। কিন্তু তিনি কেন আসছেন না, জানি না।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, গত ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের তরফে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে প্রণব ঘোষের নাম ঘোষণা করা হয়। ফলে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তৎকালীন উপাচার্য দেবব্রত মিত্র দায়িত্বভার ছেড়ে চলে যান। প্রায় এক মাস ধরে উপাচার্যের আসন ফাঁকা। ফিনান্স অফিসার চেষ্টা করলেও এক্তিয়ার না থাকায় অনেক কিছুই করতে পারেননি। এবার তিনিও চলে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে চলবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। অতিথি অধ্যাপক রাজু পালের কথায়, আমরা বেতন না পেয়েও পড়ুয়াদের স্বার্থে ক্লাস চালিয়ে যাচ্ছি। সামনেই পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু আরও নানা সমস্যা হচ্ছে পড়ুয়াদের। একমাত্র উপাচার্য এলেই জট কাটবে। কিন্তু তিনি কেন আসছেন না, জানি না।



