Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অবশেষে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চলেছে কার্ডিওলজি বিভাগ

অবশেষে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চলেছে কার্ডিওলজি বিভাগ
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: অবশেষে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কার্ডিওলজি বিভাগকে পূর্ণাঙ্গরূপ দেওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। ক্যাথল্যাব না থাকায় এখানে হৃদরোগের ব্যয়বহুল গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। কিন্তু অন্যান্য যন্ত্রপাতি এসে পড়ে থাকলেও এতদিন তা ব্যবহার করা হয়নি বলে অভিযোগ। এবার সেই ট্রেডমিল এবং হল্টার মনিটর মেশিন বসানো হচ্ছে। পাশাপাশি পোর্টেবল ক্যাথল্যাব আনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। 
Advertisement
ট্রেডমিল এবং হল্টার মনিটর মেশিন চালু হলে হৃদরোগীরা চিকিৎসার একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ এখান থেকেই পেয়ে যাবেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, এতদিন ক্যথল্যাব না এলেও অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম কেন ব্যবহার করা হয়নি? হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, হল্টার মনিটর মেশিন ও ট্রেডমিল আগেই এসেছে। এতদিন এগুলি ব্যবহার করা হয়নি। এই পরিষেবাগুলি চালু করা হলেও গরিব মানুষ উপকৃত হতো। তা না করে ক্যাথল্যাবের অপেক্ষায় থেকে বাকি পরিষেবা চালু করা হয়নি। 
সুপার স্পেশালিটি ব্লক তৈরি হওয়ার পরও ক্যাথল্যাব না থাকার কারণ দেখিয়ে কার্ডিওলজি বিভাগ পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করার উদ্যোগ নেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ ক্ষেত্রে হাসপাতালেন একটি অংশের অনীহাকে দায়ী করছেন অনেকে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, এতদিন জায়গার অভাবে ট্রেডমিল ও হল্টার মনিটর চালু করা যায়নি। সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, সম্প্রতি আইসিসিইউ তথা কার্ডিওলজির ইন্ডোর পরিষেবা সুপার স্পেশালিটি ব্লকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে জায়গা অনেকটা রয়েছে। সেকারণেই এবার হল্টার মনিটর ও ট্রেডমিল মেশিন বসানো হচ্ছে। পোর্টেবল ক্যাথল্যাবের জন্য আমরা রাজ্যে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। শীঘ্রই তা পেয়ে যাব। 
এই উদ্যোগে কার্ডিওলজি পরিষেবা গরিব মানুষ উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকেই অনেকটা পেয়ে যাবে। পাশাপাশি পেসমেকারও বসানো হচ্ছে। পেসমেকারের পাশাপাশি এবার উন্নত আধুনিক পেসমেকার বসানো শুরু হবে বলে জানান সুপার। সিআরটিটি অর্থাৎ কার্ডিও রিসিকোয়েন্সিং থেরাপি পেসমেকার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বসানোর শুরু হলে গরিব মানুষকে আর বাইরে থেকে বিপুল খরচ করে আরটিপি বসাতে হবে না। সব মিলিয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কার্ডিওলজি বিভাগ ধীরে ধীরে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চলেছে। যা উত্তরবঙ্গের গরিব মানুষের কাছে স্বস্তির কারণ। এখানে অনেক হৃদরোগী আসেন। কিন্তু পরিকাঠামো না থাকায় তাঁদের বাইরে থেকে ব্যয়বহুল চিকিৎসা করাতে হয়।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ