দেবজিৎ ঘোষ, কলকাতা: ‘আসছে বছর আবার হবে।’ গত কয়েক মরশুম ধরে এটাই ইস্ট বেঙ্গলের ক্যাচলাইন। চলতি আইএসএলও তার ব্যতিক্রম নয়। আপশোস, হতাশা, ক্ষোভ মিলেমিশে একাকার। লাল-হলুদের প্রাক্তন ফুটবলার হিসেবে লজ্জিত। পরিকল্পনার অভাব স্পষ্ট। এমনকী, ন্যূনতম দায়বদ্ধতা নেই ফুটবলারদের। এই ইস্ট বেঙ্গল একেবারে অচেনা। কর্তাদের অনুরোধ, যত দ্রুত সম্ভব কোচ আর ইনভেস্টরদের সঙ্গে বৈঠকে বসুন। খোলনলচে না পাল্টালে আগামী মরশুমে আরও দুর্ভোগ অপেক্ষা করবে।
Advertisement
ইস্ট বেঙ্গলের গলদ কোথায়? শনিবার চেন্নাইয়ানের বিরুদ্ধে অস্কার ব্রিগেডের অসহায় আত্মসমর্পণের পর অনেকেই এই প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছেন। আসলে সমস্যা এক নয়, একাধিক। আধুনিক ফুটবলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় মেডিক্যাল টিম। অথচ মাঝ মরশুম পেরিয়েও ইস্ট বেঙ্গলের অধিকাংশ ফুটবলার আনফিট। প্রয়াত অমল দত্ত, সুভাষ ভৌমিকের কথা ভেবে অবাক লাগে। একগাদা কোচিং স্টাফ তাঁদের ছিল না। অমলদা কিংবা নায়িমদা তো নিজেরা ফিটনেস ট্রেনিংও করাতেন। সারা বছর তেল খাওয়া মেশিনের মতো ছুটত ফুটবলাররা। আইএসএলে অস্কার ব্রুজোঁর স্কোয়াডে একগাদা সাপোর্ট স্টাফ। তাঁদের পুষতে কাঁড়ি টাকা খরচ হচ্ছে। অথচ লাভের লাভ শূন্য। এবার তো জবাবদিহি চাওয়া হোক। বিদেশি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও দায় এড়াতে পারে না টিম ম্যানেজমেন্ট। ক্লেটন সিলভাকে ধরে রাখার সিদ্ধান্ত বোধগম্য হয়নি। পাশাপাশি হিজাজি মাহের আর সাউল ক্রেসপোর চুক্তি বাড়ানোও অবাক করেছে। সাউল চোটপ্রবণ ফুটবলার। গত মরশুমেও দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবলারকে। ওই বাজেটে নতুন ফুটবলার রিক্রুট করাই যেত। আর হিজাজি একেবারেই মধ্যমানের স্টপার।
পাশাপাশি, মোহন বাগানের দিকে তাকিয়ে দেখুন। আলবার্তো, আলড্রেডের সঙ্গে হিজাজির পার্থক্য দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। এখন থেকেই ভালোমানের ডিফেন্ডারের খোঁজে কোমরবেঁধে নেমে পড়ুক কর্তারা। গিমিক বা নামের জন্য ছোটা নিষ্প্রয়োজন। বরং কার্যকরী ফুটবলার দরকার। লাল-হলুদ কর্তারা ওপারা, ডগলাস, মুসা, জুনিয়রের মতো ফুটবলারদের রিক্রুট করেছিলেন। কঠিন সময়ে তাঁরাই দায়িত্ব নিন। অহেতুক সিটিও সাজিয়ে রাখার কোনও মানে নেই। গত কয়েক মরশুম ধরে দলের গুরুদায়িত্বে তিনি। দাগ কাটার মতো একজন বিদেশিকেও আনতে পারেননি। ওঁর ভূমিকা নিয়েও একরাশ ধোঁয়াশা।
অস্কার ব্রুজোঁ কঠিন সময়ে ইস্ট বেঙ্গলের দায়িত্ব নিয়েছেন। স্প্যানিশ কোচ চেষ্টা করছেন। তবে আধাফিট সেলিস আর সাউলকে মাঠে নামানো মারাত্মক ভুল। এই ত্রুটি অনেক আগে শুধরে নেওয়া উচিত ছিল।
পাশাপাশি, মোহন বাগানের দিকে তাকিয়ে দেখুন। আলবার্তো, আলড্রেডের সঙ্গে হিজাজির পার্থক্য দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। এখন থেকেই ভালোমানের ডিফেন্ডারের খোঁজে কোমরবেঁধে নেমে পড়ুক কর্তারা। গিমিক বা নামের জন্য ছোটা নিষ্প্রয়োজন। বরং কার্যকরী ফুটবলার দরকার। লাল-হলুদ কর্তারা ওপারা, ডগলাস, মুসা, জুনিয়রের মতো ফুটবলারদের রিক্রুট করেছিলেন। কঠিন সময়ে তাঁরাই দায়িত্ব নিন। অহেতুক সিটিও সাজিয়ে রাখার কোনও মানে নেই। গত কয়েক মরশুম ধরে দলের গুরুদায়িত্বে তিনি। দাগ কাটার মতো একজন বিদেশিকেও আনতে পারেননি। ওঁর ভূমিকা নিয়েও একরাশ ধোঁয়াশা।
অস্কার ব্রুজোঁ কঠিন সময়ে ইস্ট বেঙ্গলের দায়িত্ব নিয়েছেন। স্প্যানিশ কোচ চেষ্টা করছেন। তবে আধাফিট সেলিস আর সাউলকে মাঠে নামানো মারাত্মক ভুল। এই ত্রুটি অনেক আগে শুধরে নেওয়া উচিত ছিল।



