নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও বারাসত: কল্যাণীতে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে প্রাণহানির পর সতর্ক পুলিস। উত্তর থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে বেআইনি বাজির বিরুদ্ধে অভিযান। সব মিলিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে বাজেয়াপ্ত হয় ৬২ কেজি গান পাউডার, ৮০ কেজি বিভিন্ন ধরনের আতশবাজি এবং সাত কেজি চকলেট বোমা। আর উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙা থেকে উদ্ধার হয়েছে ১২ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি। গ্রেপ্তার করা হয়েছে মোট চারজনকে। পুলিস জানিয়েছে, এমন অভিযান চলতে থাকবে।
Advertisement
বুধবার সোনারপুরে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়ে উদ্ধার করা হয় প্রচুর নিষিদ্ধ বাজি ও তার মশলা। গ্রেপ্তার করা হয় কালো সোনা সর্দার নামে এক বাজি ব্যবসায়ীকে। অপরদিকে, নিষিদ্ধ শব্দবাজি মজুত ও বিক্রির অভিযোগে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে আমডাঙা থানার পুলিস। এছাড়া গাড়ি করে বাজি নিয়ে যাওয়ার সময় দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পুলিসের হাতে ধরা পড়ে আরও একজন। ধৃতের নাম মহম্মদ তৌসিফ।
কালিকাপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়পুর উত্তরপাড়ায় কালো সোনার বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিস। সেখানে বেআইনিভাবে বাজি বানানো হচ্ছিল। কোনও লাইসেন্স দেখাতে পারেননি কালো সোনা। অথচ তিনি বহুদিন ধরেই বাজি কারবারের সঙ্গে যুক্ত বলে এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে আর কারা কারা যুক্ত রয়েছে, সেই খোঁজ শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, চম্পাহাটিতে বাজি নিয়ে যাওয়ার সময় ধরে পড়েন তৌসিফ। তিনি গাড়ির চালক। কার কাছে ওই বাজি নিয়ে যাচ্ছিলেন তৌসিফ, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বারুইপুর পুলিস জেলার তরফে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনা এড়াতেই আগাম পদক্ষেপ করছে পুলিস।
অন্যদিকে আমডাঙা থানার পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া দু’জনের নাম, আব্দুল রহিম মণ্ডল ও কাশেম গাজি। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে তোলা হলে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আমডাঙার ওয়ালসিদ্ধি চৌমাথা এলাকায় একটি দোকানে গোপনে চলছিল নিষিদ্ধ শব্দবাজি মজুত ও বিক্রি। গোপন সূত্রে সেই খবর পাওয়ার পরেই বুধবার রাতে দোকানটিতে হানা দিয়ে পুলিস ওই দু’জনকে গ্রেপ্তার করে।-নিজস্ব চিত্র
কালিকাপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়পুর উত্তরপাড়ায় কালো সোনার বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিস। সেখানে বেআইনিভাবে বাজি বানানো হচ্ছিল। কোনও লাইসেন্স দেখাতে পারেননি কালো সোনা। অথচ তিনি বহুদিন ধরেই বাজি কারবারের সঙ্গে যুক্ত বলে এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে আর কারা কারা যুক্ত রয়েছে, সেই খোঁজ শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, চম্পাহাটিতে বাজি নিয়ে যাওয়ার সময় ধরে পড়েন তৌসিফ। তিনি গাড়ির চালক। কার কাছে ওই বাজি নিয়ে যাচ্ছিলেন তৌসিফ, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বারুইপুর পুলিস জেলার তরফে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনা এড়াতেই আগাম পদক্ষেপ করছে পুলিস।
অন্যদিকে আমডাঙা থানার পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া দু’জনের নাম, আব্দুল রহিম মণ্ডল ও কাশেম গাজি। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে তোলা হলে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আমডাঙার ওয়ালসিদ্ধি চৌমাথা এলাকায় একটি দোকানে গোপনে চলছিল নিষিদ্ধ শব্দবাজি মজুত ও বিক্রি। গোপন সূত্রে সেই খবর পাওয়ার পরেই বুধবার রাতে দোকানটিতে হানা দিয়ে পুলিস ওই দু’জনকে গ্রেপ্তার করে।-নিজস্ব চিত্র



