নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অবসরের পর একটি অভিজাত আবাসনে ফ্ল্যাট কিনবেন বলে সেটি দেখতে গিয়েছিলেন ৬৩ বছরের বিশ্বদীপ রায়। ইএম বাইপাসের মুকুন্দপুরে বিলাসবহুল সেই আবাসনের ৪৪ তলা থেকে পড়ে প্রাণ হারালেন তিনি। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে। মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। প্রকৃত কারণ জানতে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিস। এই ঘটনায় বৃদ্ধের পরিবার কোনও অভিযোগ জানায়নি। বিশ্বদীপবাবু অবসরপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সরকারি দপ্তরের অফিসার ছিলেন। বর্তমানে নরেন্দ্রপুরের একটি অভিজাত আবাসনে থাকতেন।
Advertisement
ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশনের (এনটিপিসি) উচ্চপদে কর্মরত ছিলেন বিশ্বদীপবাবু। বছর তিনেক আগে অবসর নিয়েছিলেন। নরেন্দ্রপুরে সপরিবারে বসবাস করতেন। তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে পুলিস জানতে পারে, অবসরকালীন জীবনের প্রথম দিকে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। সম্প্রতি সেই দশা কাটিয়ে ওঠেন। কয়েকমাস ধরে বাইপাসের ধারে ডায়মন্ড টাওয়ার কমপ্লেক্সের অভিদীপ্তা-২ আবাসনে একটি ফ্ল্যাট কেনার পরিকল্পনা করেছিলেন। সেটি দেখতেই এদিন গিয়েছিলেন।
পুলিস সূত্রে খবর, ফ্ল্যাট কেনার জন্য স্থানীয় দুই মিডলম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বিশ্বদীপবাবু। মিডলম্যানরা অভিদীপ্তা-২ এর ৪৪ তলার একটি ফোর বিএইচকে ফ্ল্যাট দেখানোর প্রস্তাব দেন। সেইমতো মঙ্গলবার যাওয়ার দিন নির্দিষ্ট হয়। এদিন সকাল ১১টা নাগাদ আবাসনে পৌঁছন বৃদ্ধ। সঙ্গে ছিলেন আরও দু’জন মিডলম্যান। লিফটে উঠে উপরে যান তাঁরা। ফ্ল্যাটের বেডরুম দেখার পর ওই ফ্লোরে থাকা স্টাফ কোয়ার্টার দেখার জন্য যান বিশ্বদীপবাবু। সেখানে একটি বারান্দা রয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, সেই বারান্দা থেকেই পড়ে যান বৃদ্ধ। বারান্দায় রেলিং রয়েছে। তা সত্ত্বেও কীভাবে পড়ে গেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রশ্ন, পড়ে যাওয়ার সময় দুই মিডলম্যান কোথায় ছিলেন? বৃদ্ধকে বাঁচানোর মতো পরিস্থিতি কেন তৈরি হয়নি? ওই দুই মিডলম্যান পুলিসকে বলেছেন, ঘটনার সময় বৃদ্ধের কাছাকাছি ছিলেন না তাঁরা। শব্দ পেয়ে ছুটে এসে দেখেন নীচে পড়ে গিয়েছেন তিনি। তাঁরা থানায় ফোন করে খবর জানিয়েছিলেন। তারপর ঘটনাস্থলে যায় পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিস। মিডলম্যানদের দাবি মানতে নারাজ পুলিস। বারান্দার রেলিং টপকে নীচে পড়ে যাওয়া কার্যত অসম্ভব বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। বৃদ্ধ অবসাদগ্রস্ত বলে আত্মহত্যার বিষয়টি তদন্তের আওতায় রাখা হচ্ছে। বুধবার ঘটনাস্থলে যেতে পারে ফরেন্সিক টিম।
পুলিস সূত্রে খবর, ফ্ল্যাট কেনার জন্য স্থানীয় দুই মিডলম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বিশ্বদীপবাবু। মিডলম্যানরা অভিদীপ্তা-২ এর ৪৪ তলার একটি ফোর বিএইচকে ফ্ল্যাট দেখানোর প্রস্তাব দেন। সেইমতো মঙ্গলবার যাওয়ার দিন নির্দিষ্ট হয়। এদিন সকাল ১১টা নাগাদ আবাসনে পৌঁছন বৃদ্ধ। সঙ্গে ছিলেন আরও দু’জন মিডলম্যান। লিফটে উঠে উপরে যান তাঁরা। ফ্ল্যাটের বেডরুম দেখার পর ওই ফ্লোরে থাকা স্টাফ কোয়ার্টার দেখার জন্য যান বিশ্বদীপবাবু। সেখানে একটি বারান্দা রয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, সেই বারান্দা থেকেই পড়ে যান বৃদ্ধ। বারান্দায় রেলিং রয়েছে। তা সত্ত্বেও কীভাবে পড়ে গেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রশ্ন, পড়ে যাওয়ার সময় দুই মিডলম্যান কোথায় ছিলেন? বৃদ্ধকে বাঁচানোর মতো পরিস্থিতি কেন তৈরি হয়নি? ওই দুই মিডলম্যান পুলিসকে বলেছেন, ঘটনার সময় বৃদ্ধের কাছাকাছি ছিলেন না তাঁরা। শব্দ পেয়ে ছুটে এসে দেখেন নীচে পড়ে গিয়েছেন তিনি। তাঁরা থানায় ফোন করে খবর জানিয়েছিলেন। তারপর ঘটনাস্থলে যায় পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিস। মিডলম্যানদের দাবি মানতে নারাজ পুলিস। বারান্দার রেলিং টপকে নীচে পড়ে যাওয়া কার্যত অসম্ভব বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। বৃদ্ধ অবসাদগ্রস্ত বলে আত্মহত্যার বিষয়টি তদন্তের আওতায় রাখা হচ্ছে। বুধবার ঘটনাস্থলে যেতে পারে ফরেন্সিক টিম।



