দুবাই: টাইম মেশিনে ২৫ বছর আগে ফেরা যাক! ২০০০ সালে নাইরোবির জিমখানা ক্লাব গ্রাউন্ডে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে মুখোমুখি ভারত-নিউজিল্যান্ড। সৌরভ গাঙ্গুলির দুরন্ত শতরানে প্রথমে ব্যাট করে টিম ইন্ডিয়া তোলে ৬ উইকেটে ২৬৪। জবাবে ১৩২ রানেই পাঁচ উইকেট খুইয়ে ধুঁকছিল কিউয়িরা। সবাই একপ্রকার ভারতকে চ্যাম্পিয়ন ধরেই নিয়েছিলেন। কিন্তু দুরন্ত শতরান হাঁকিয়ে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে যান ক্রিস কেয়ার্নস। সেই প্রথম আইসিসি ট্রফির স্বাদ পায় নিউজিল্যান্ড।
কাট টু ২০২৫, দুবাই। আরও একবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ভারত-নিউজিল্যান্ড। ২০০০ সালের সেই মধুর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে মরিয়া কিউয়ি ব্রিগেড। খেতাবি লড়াইয়ের আগে শনিবার সংবাদিক সম্মেলনে পৌঁছে তেমনটাই জানালেন উইল ইয়ং। নিউজিল্যান্ডের ডানহাতি ওপেনারটির মন্তব্য, ‘নিউজিল্যান্ড যখন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল তখন আমার বয়স ৮ বছর। সেই দলে অনবদ্য সব ক্রিকেটার ছিলেন। তাঁদের দেখেই ক্রিকেটের প্রেমে পড়া। শৈশবের নায়কদের পথে হেঁটে আবারও কাপ জিততে মরিয়া প্রত্যেকে। তাছাড়া এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দল ঘোষণার সময় টিমের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন স্কট স্টাইরিস। চ্যাম্পিয়ন দলের বিভিন্ন গল্প শুনিয়ে আমাদের উদ্বুদ্ধও করেন তিনি।’ চলতি টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে ভারতের কাছে হেরেছিল কিউয়ি-ব্রিগেড। তার প্রভাব কি ফাইনালে পড়বে? প্রশ্নের উত্তরে ইয়ং বলেন, ‘একেবারেই না। বরং ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সেরাটা মেলে ধরতে প্রস্তুত আমরা।’