নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শনিবার মিনি ডার্বিতে মহমেডান স্পোর্টিংকে রুখে দিয়েছে ৯ জনের ইস্ট বেঙ্গল। সেই সঙ্গে চলতি আইএসএলে পয়েন্টের খাতা খুলেছে ব্রুজোঁ ব্রিগেড। তবে ফলের চেয়েও চর্চার শিরোনামে উঠে এসেছে ম্যাচে জোড়া লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত। প্রথমার্ধে একই ঘটনার রেশ ধরে ইস্ট বেঙ্গলের নন্দ কুমার ও মহেশ সিংকে মার্চিং অর্ডার দেন রেফারি হরিশ কুণ্ডু। তার জন্য প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয় দিল্লির ৩২ বছর বয়সি রেফারিকে। প্রাক্তনীদের একাংশের দাবি, জোড়া লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত ম্যাচের উপভোগ্যতা শুষে নিয়েছে। আই লিগ জয়ী কোচ সঞ্জয় সেন অবশ্য রেফারির সিদ্ধান্তকে পুরোপুরি সমর্থন করছেন। তাঁর মন্তব্য, ‘রেফারিং নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলছেন। তবে ফুটবলের নিয়মানুসারে, দু’টি লাল কার্ডের সিদ্ধান্তই একশো ভাগ সঠিক। মাঠে বল দখলের লড়াইয়ে জার্সি টানাটানি হয়েই থাকে। তার জন্য রেফারি অমরজিৎকে হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন। তবে নন্দর ওভাবে প্রত্যাঘাত করাটা আরও বড় অপরাধ। তাই ওকে যথাযথ কারণেই লাল কার্ড দেখতে হয়েছে। সেই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে মহেশ সিংয়ের মতো অভিজ্ঞ ফুটবলারের ওইরকম আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। বিশেষ করে আগেই একটি হলুদ কার্ড দেখা ছিল তার। তবু কেন ওভাবে জলের বোতলে লাথি মারবে? তাও সেটা আবার চতুর্থ রেফারির দিকে লক্ষ্য করে। একই সঙ্গে এটাও বলব যে, পরে ন্যায্য পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হয়েছে ইস্ট বেঙ্গল। এক্ষেত্রে রেফারি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ।’
Advertisement
আইএসএলে নাম লেখানোর পর থেকেই বারবার রেফারির ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হতে হয়েছে ইস্ট বেঙ্গলকে। অতীতে একাধিকবার এই প্রসঙ্গে লিগ কমিটির কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। ভারতীয় ফুটবলের মান ক্রমশ পড়ছে। তাল মিলিয়ে নামছে রেফারিদের কোয়ালিটিও। এই প্রসঙ্গে সঞ্জয় সেনের সংযোজন, ‘এখন বেশিরভাগ দেশ ভার প্রযুক্তির ব্যবহার করছে। সেই দিক থেকে অবশ্যই আমরা পিছিয়ে। পাশাপাশি রেফারির মান উন্নয়নের জন্য আরও বেশি সচেতন হতে হবে। তা নাহলে রাহুল গুপ্তার মতো রেফারি প্রতি ম্যাচে হলুদ কার্ডের বন্যা বইয়ে দেবে।’
গত বছরই আংশিকভাবে ভার ব্যবহারের কথা ঘোষণা করেছিলেন ফেডারেশন সভাপতি। আজও তা দিনের আলো দেখেনি। কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ খরচ করে চিফ রেফারি অফিসার পিটার কেটেলকে নিয়োগ করেছে এআইএফএফ। তবে তাতে ভারতীয় রেফারিদের আদৌ কোনও উন্নতি হয়েছে কীনা, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।
গত বছরই আংশিকভাবে ভার ব্যবহারের কথা ঘোষণা করেছিলেন ফেডারেশন সভাপতি। আজও তা দিনের আলো দেখেনি। কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ খরচ করে চিফ রেফারি অফিসার পিটার কেটেলকে নিয়োগ করেছে এআইএফএফ। তবে তাতে ভারতীয় রেফারিদের আদৌ কোনও উন্নতি হয়েছে কীনা, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।



