নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কর্মশিক্ষা-শারীর শিক্ষা নিয়োগ মামলায় কেন নতুন করে চাকরিপ্রার্থীরা পক্ষভুক্ত হতে পারবেন না, তা মূল মামলাকারীর কাছে জানতে চাইল হাইকোর্ট।
Advertisement
২০১৬ সালের এসএলএসটি-র মাধ্যমে কর্মশিক্ষা ও শারীর শিক্ষার চাকরিপ্রার্থীদের প্যানেল প্রস্তুত হয়ে গেলেও এই মামলার কারণে আটকে রয়েছে নিয়োগ। ২০২২ সালের ১৬০০ অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করা হয়েছিল, তাই নিয়েই মামলা। এই মামলায় পক্ষভুক্ত হতে আবেদন জানিয়েছিলেন ৫০০ চাকরিপ্রার্থী। শুক্রবার তাতে আপত্তি জানিয়েছিলেন এই মামলার মূল আবেদনকারীর আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। কিন্তু এদিন তাঁর মৌখিক আপত্তি শুনল না হাইকোর্ট। দাবি উড়িয়ে কেন মামলায় পক্ষভুক্ত হতে পারবে না জানতে চেয়েছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। ২০ মার্চ পরবর্তী শুনানিতে এনিয়ে জবাবদিহি করতে হবে মূল মামলাকারীকে।



