নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই নিউটাউনে ১৪ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার কিনারা করল বিধাননগর কমিশনারেট। রাতের বেলায় যে টোটোয় চেপে কিশোরী বাড়ি ফিরছিল, সেই টোটোচালকই এই নৃশংস ঘটনায় অভিযুক্ত। ধর্ষণ ও খুনের পর দিব্যি বাড়ি গিয়ে স্ত্রীর পাশে ঘুমিয়েছিল সে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজের সূত্র ধরে শনিবার রাতে অভিযুক্ত টোটোচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতের নাম সৌমিত্র রায় ওরফে রাজ। বয়স ২২ বছর। সে ধর্ষণের পর কিশোরীকে খুন করেছে, নাকি খুনের পর ধর্ষণ করেছে, সেটা খতিয়ে দেখছে পুলিস। বিধাননগরের পুলিস কমিশনার মুকেশ বলেন, ধৃতের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। সে নিজে অপরাধ স্বীকারও করেছে। সমস্ত তথ্য প্রমাণ পেশ করা হবে, যাতে দ্রুত অভিযুক্ত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পায়।
Advertisement
প্রসঙ্গত, ১৪ বছরের ওই কিশোরীর গত বৃহস্পতিবার রাত দশটার সময় রাগ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে নিউটাউন থানায় নিখোঁজের ডায়েরিও করা হয়। শুক্রবার সকালে নিউটাউনের লোহাপুর এলাকায় কিশোরীর অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ধর্ষণ ও খুনের মামলার রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছিল।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর আশপাশের সমস্ত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। তাতে দেখা গিয়েছে একটি টোটোয় বসে রয়েছে ওই কিশোরী। তারপরই পুলিস ওই টোটো চালকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। শনিবার রাতে তাকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের আসল বাড়ি নদীয়ায়। নিউটাউনের গৌরাঙ্গনগরে সে ভাড়া থাকত। মাত্র এক বছর আগে বিয়ে করেছে। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে ডেপুটি পুলিস কমিশনার (নিউটাউন) মানব সিংলা বলেন, রাত ১১টা ৪০ থেকে রাত আড়াইটার মধ্যে এই অপরাধ ঘটিয়েছে টোটো চালক। বাড়ি ফেরার জন্য কিশোরী টোটায় চেপেছিল। তাতে আরও কয়েকজন যাত্রী ছিল। তাদের নামিয়ে সে এই অপরাধ করেছে।
ধৃতকে এদিন বারাসাত জেলা আদালতে পেশ করে পুলিস রিমান্ডের আবেদন করা হয়। আদালত ১০ দিনের পুলিসি হেফাজত মঞ্জর করেছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন রাতে ওই কিশোরী বাড়ি থেকে হেঁটে কিছুটা দূর গিয়েছিল। রাগ কমতে সে বাড়ি ফেরার কথা ভেবে ধৃতের টোটোতে চেপেছিল। তার কাছে টাকা ছিল না। কিশোরী বলেছিল, বাড়ি ফিরে সে টাকা দেবে। তাকে বাড়ি না পৌঁছে দিয়ে সে অন্যদিকে যেতে থাকে। খিদে এবং ক্লান্তিতে কিশোরীর চোখে ঘুম এসে গিয়েছিল। সেই সুযোগে টোটো চালক তাকে লোহাপুলের ওই কাঁটাতার ঘেরা নির্জন জায়গায় নিয়ে যায়। ভিতরে ঢোকার জন্য অল্প কাটা অংশ আছে। সেখান দিয়েই কিশোরীকে জোর করে ভিতরে নিয়ে যায়। তারপর ধর্ষণ করে খুন করে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর আশপাশের সমস্ত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। তাতে দেখা গিয়েছে একটি টোটোয় বসে রয়েছে ওই কিশোরী। তারপরই পুলিস ওই টোটো চালকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। শনিবার রাতে তাকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের আসল বাড়ি নদীয়ায়। নিউটাউনের গৌরাঙ্গনগরে সে ভাড়া থাকত। মাত্র এক বছর আগে বিয়ে করেছে। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে ডেপুটি পুলিস কমিশনার (নিউটাউন) মানব সিংলা বলেন, রাত ১১টা ৪০ থেকে রাত আড়াইটার মধ্যে এই অপরাধ ঘটিয়েছে টোটো চালক। বাড়ি ফেরার জন্য কিশোরী টোটায় চেপেছিল। তাতে আরও কয়েকজন যাত্রী ছিল। তাদের নামিয়ে সে এই অপরাধ করেছে।
ধৃতকে এদিন বারাসাত জেলা আদালতে পেশ করে পুলিস রিমান্ডের আবেদন করা হয়। আদালত ১০ দিনের পুলিসি হেফাজত মঞ্জর করেছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন রাতে ওই কিশোরী বাড়ি থেকে হেঁটে কিছুটা দূর গিয়েছিল। রাগ কমতে সে বাড়ি ফেরার কথা ভেবে ধৃতের টোটোতে চেপেছিল। তার কাছে টাকা ছিল না। কিশোরী বলেছিল, বাড়ি ফিরে সে টাকা দেবে। তাকে বাড়ি না পৌঁছে দিয়ে সে অন্যদিকে যেতে থাকে। খিদে এবং ক্লান্তিতে কিশোরীর চোখে ঘুম এসে গিয়েছিল। সেই সুযোগে টোটো চালক তাকে লোহাপুলের ওই কাঁটাতার ঘেরা নির্জন জায়গায় নিয়ে যায়। ভিতরে ঢোকার জন্য অল্প কাটা অংশ আছে। সেখান দিয়েই কিশোরীকে জোর করে ভিতরে নিয়ে যায়। তারপর ধর্ষণ করে খুন করে।



