হ্যামিল্টন, ১৭ ডিসেম্বর: ঘোষণা আগেই হয়ে গিয়েছিল। এবার সেই দিনটাও এসে গেল। টেস্ট ক্রিকেটে শেষ বারের মত মাঠ ছাড়লেন কিউয়ি পেসার টিম সাউদি। দীর্ঘদিনের চেনা চিত্রটা এক লহমায় অতীত হয়ে গেল। টিম সাউদি তাঁর ক্রিকেটের সাদা জার্সিটা নিয়ে আর ছুটবেন না। হ্যামিল্টন টেস্টে নিউজিল্যান্ডের ৪২৩ রানের বিরাট জয়ের মধ্যে দিয়েই শেষ হল সাউদির টেস্ট অধ্যায়েরও। যদিও সিরিজ আগেই হাতছাড়া হয়েছিল। তবে এদিন নিজেদেরই সেরা জয়ের নজির ছুঁল নিউজিল্যান্ড। রানের নিরিখে কিউয়িদের এটিই সবচেয়ে বড় জয়। এর আগে শ্রীলঙ্কাকেও একই ব্যবধানে হারিয়েছিল কিউয়িরা। তা সত্ত্বেও এই ম্যাচে সকলেরই নজর ছিল টিম সাউদির দিকে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল যাদের কাছে হেরে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন, সেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় দিয়েই শেষ হলো নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের কিংবদন্তি বনে যাওয়া এই পেসারের টেস্ট অধ্যায়।
Advertisement
ক্যারিয়ারের শেষ লগ্নেও সাউদি ঝুলিতে পুরলেন দু’ দুটি উইকেট। আগের দিন বেন ডাকেটকে বোল্ড করে নিউজিল্যান্ডকে প্রথম উইকেট এনে দিয়েছিলেন তিনি। আর আজ নিলেন জ্যাকব বেথেলের উইকেটটিও। ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে গ্লেন ফিলিপসের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাউদির টেস্ট ক্যারিয়ারের শেষ শিকার হলেন বেথেল। ৩৯১ উইকেটেই থামলো সাউদির বর্ণাঢ্য এই টেস্ট ক্যারিয়ার। তবে বিদায়ের পর নিজের পরিসংখ্যান দেখে হয়ত কিছুটা আক্ষেপই করবেন সাউদি। কারণ আর মাত্র ৯টি উইকেট নিতে পারলেই আরও এক রেকর্ডধারী হতে পারতেন তিনি। কারণ এ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের হয়ে টেস্টে ৪০০ উইকেট আছে শুধুই স্যার রিচার্ড হ্যাডলির। ৪৩১ উইকেট পেয়েছিলেন হ্যাডলি। অন্যদিকে ক্রিকেটের ইতিহাসে মোট ১৭ জন বোলারেরই আছে এই ৪০০ টেস্ট উইকেট। যার মধ্যে পেসার আছেন ১০ জন। সাউদির সামনে সুযোগ ছিল সেই এলিটদের একজন হওয়ার। সেটা না হওয়ার আক্ষেপ নিয়েই টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে হল তাঁকে।
উল্লেখ্য, বিরাট কোহলি, কেন উইলিয়ামসন, স্টিভ স্মিথদের সঙ্গে ২০০৮ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ খেলেছেন টিম সাউদি। সে বছরই টেস্ট অভিষেক। কেরিয়ারে ১০৭টি টেস্টে নিয়েছেন ৩৯১ উইকেট। ব্যাট হাতেও দলকে ভরসা দিয়েছেন। ১০৭ ম্যাচে ২২৪৫ রান। সর্বাধিক ৭৭ অপরাজিত। সবমিলিয়ে ৭টি হাফসেঞ্চুরি। স্ট্রাইকরেট প্রায় ৮৩। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও দীর্ঘদিন খেলেছেন। এ বারও রেজিস্টার করেছিলেন। যদিও নিলামে অবিক্রিতই থেকেছেন টিম সাউদি।
হ্যামিল্টনে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে তারা অল-আউট হয় ৩৪৭ রানে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড তাদের প্রথম ইনিংসে অল-আউট হয়ে যায় মাত্র ১৪৩ রানে। অর্থাৎ, প্রথম ইনিংসের নিরিখে ২০৪ রানের বড়সড় লিড নিয়ে নেয় নিউজিল্যান্ড। ফলো অন করার সুযোগ থাকলেও ইংল্যান্ডকে ফলো-অন করায়নি কিউইরা। পরিবর্তে নিজেরাই দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আরও ৪৫৩ রান তোলে। ফলে প্রথম ইনিংসের খামতি মিলিয়ে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় ৬৫৮ রানের।
ইংল্যান্ড তৃতীয় দিনের শেষে তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটের বিনিময়ে ১৮ রান তোলে। সুতরাং, জয়ের জন্য শেষ ২ দিনে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল আরও ৬৪০ রান। তাদের হাতে ছিল ৮টি উইকেট। তবে চতুর্থ দিনে খেলতে নেমে ইংল্যান্ড তাদের শেষ ইনিংসে অলআউট হয়ে যায় ২৩৪ রানে।
ইংল্যান্ডের হয়ে শেষ ইনিংসে জেকব বেথেল ৭৬, জো রুট ৫৪ ও গাস অ্যাটকিনসন ৪৩ রান করেন। হ্যারি ব্রুক ১ রান করে আউট হন। চোটের জন্য ব্যাট করতে নামেননি ক্যাপ্টেন বেন স্টোকস। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৫ রানে ৪ উইকেট নেন মিচেল স্যান্টনার। ২টি করে উইকেট নেন ম্যাট হেনরি ও কেরিয়ারের শেষ টেস্ট খেলতে নামা টিম সাউদি। ১টি উইকেট নেন উইলিয়াম ও'রোর্ক।
উল্লেখ্য, বিরাট কোহলি, কেন উইলিয়ামসন, স্টিভ স্মিথদের সঙ্গে ২০০৮ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ খেলেছেন টিম সাউদি। সে বছরই টেস্ট অভিষেক। কেরিয়ারে ১০৭টি টেস্টে নিয়েছেন ৩৯১ উইকেট। ব্যাট হাতেও দলকে ভরসা দিয়েছেন। ১০৭ ম্যাচে ২২৪৫ রান। সর্বাধিক ৭৭ অপরাজিত। সবমিলিয়ে ৭টি হাফসেঞ্চুরি। স্ট্রাইকরেট প্রায় ৮৩। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও দীর্ঘদিন খেলেছেন। এ বারও রেজিস্টার করেছিলেন। যদিও নিলামে অবিক্রিতই থেকেছেন টিম সাউদি।
হ্যামিল্টনে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে তারা অল-আউট হয় ৩৪৭ রানে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড তাদের প্রথম ইনিংসে অল-আউট হয়ে যায় মাত্র ১৪৩ রানে। অর্থাৎ, প্রথম ইনিংসের নিরিখে ২০৪ রানের বড়সড় লিড নিয়ে নেয় নিউজিল্যান্ড। ফলো অন করার সুযোগ থাকলেও ইংল্যান্ডকে ফলো-অন করায়নি কিউইরা। পরিবর্তে নিজেরাই দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আরও ৪৫৩ রান তোলে। ফলে প্রথম ইনিংসের খামতি মিলিয়ে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় ৬৫৮ রানের।
ইংল্যান্ড তৃতীয় দিনের শেষে তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটের বিনিময়ে ১৮ রান তোলে। সুতরাং, জয়ের জন্য শেষ ২ দিনে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল আরও ৬৪০ রান। তাদের হাতে ছিল ৮টি উইকেট। তবে চতুর্থ দিনে খেলতে নেমে ইংল্যান্ড তাদের শেষ ইনিংসে অলআউট হয়ে যায় ২৩৪ রানে।
ইংল্যান্ডের হয়ে শেষ ইনিংসে জেকব বেথেল ৭৬, জো রুট ৫৪ ও গাস অ্যাটকিনসন ৪৩ রান করেন। হ্যারি ব্রুক ১ রান করে আউট হন। চোটের জন্য ব্যাট করতে নামেননি ক্যাপ্টেন বেন স্টোকস। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৫ রানে ৪ উইকেট নেন মিচেল স্যান্টনার। ২টি করে উইকেট নেন ম্যাট হেনরি ও কেরিয়ারের শেষ টেস্ট খেলতে নামা টিম সাউদি। ১টি উইকেট নেন উইলিয়াম ও'রোর্ক।



