নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা পুরসভার নিজস্ব ক্যান্টিন পেতে চলেছে কেন্দ্রীয় সংস্থার স্বীকৃতি। মেয়র থাকাকালীন পুরসভার কর্মী ও জনগণের সুবিধার জন্য নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু উদ্যোগ নিয়ে তৈরি করিয়েছিলেন একটি ক্যান্টিন। যা আজও ঐতিহ্য বহন করে প্রতিদিন শতাধিক মানুষকে খাবার সরবরাহ করছে। সেই ক্যান্টিন পাচ্ছে কেন্দ্রের স্বীকৃতি। ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার (ফ্যাসাই) ‘ইট রাইট ক্যাম্পাস’ সার্টিফিকেট পেতে চলেছে। ইতিমধ্যেই ক্যান্টিনের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে ফ্যাসাই।
Advertisement
পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগ সূত্রে খবর, ফ্যাসাই অন্তর্ভূক্ত এজেন্সি হওয়ার জন্য ট্রেনিংয়ের প্রয়োজন ছিল। যাতে খাবারের গুণমান, পরিচ্ছন্নতা, কর্মীদের পোশাক, হাইজিন মেনে সবকিছু কীভাবে করতে হবে তা শেখানো হয়। তারপর সার্টিফিকেট পেতে হয় সমীক্ষা। যার ভিত্তিতে সবদিক বিবেচনা করে সন্তোষ প্রকাশ করেছে সমীক্ষা সংস্থা। ছবি সহ সমস্ত নথিপত্র এজেন্সিকে পাঠাতে বলা হয়েছে। এক স্বাস্থ্যকর্তা বলেন, সব কিছু আপলোড করা হয়েছে। ক্যান্টিন এই প্রক্রিয়া উত্তীর্ণ হওয়ায় পেতে চলেছে ফ্যাসাইয়ের সার্টিফিকেট। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর উদ্বোধন করা এই ক্যান্টিন শহরের নাগরিক ও পুর কর্মীদের কাছে নিরাপদ খাওয়ার স্থল। এর আগে শহরের দু’টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালের ক্যান্টিনকেও এই সার্টিফিকেট পেতে সহযোগিতা করেছে পুরসভা। জানা গিয়েছে, এই তালিকায় কলকাতার আরও ১০টি সরকারি ও বেসরকারি জায়গা আছে। এর মধ্যে অন্যতম হল কলকাতার ইসকন মন্দির। আরও ছ’টি প্রতিষ্ঠানকে এই সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। তার মধ্যে বাগবাজার মায়ের বাড়িতেও এই সমীক্ষা হবে।
২২ আগস্ট ১৯৩০ থেকে ১৫ এপ্রিল ১৯৩১ পর্যন্ত কলকাতার মেয়র ছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। সে সময় তিনি চালু করেছিলেন এই ক্যান্টিন। এখনও স্বমহিমায় চলছে সেটি। শতবর্ষের গোড়ায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। বিভিন্ন খাবার সম্পর্কে নির্দেশ পোস্টার আকারে দেওয়ালে লাগানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বীকৃতি পাওয়ার পর এই মান ধরে রাখা চ্যালেঞ্জ পুরসভার কাছে।
২২ আগস্ট ১৯৩০ থেকে ১৫ এপ্রিল ১৯৩১ পর্যন্ত কলকাতার মেয়র ছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। সে সময় তিনি চালু করেছিলেন এই ক্যান্টিন। এখনও স্বমহিমায় চলছে সেটি। শতবর্ষের গোড়ায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। বিভিন্ন খাবার সম্পর্কে নির্দেশ পোস্টার আকারে দেওয়ালে লাগানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বীকৃতি পাওয়ার পর এই মান ধরে রাখা চ্যালেঞ্জ পুরসভার কাছে।



