চেন্নাই: অবসর গ্রহণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। বৃহস্পতিবার চেন্নাই বিমানবন্দরে সদ্য প্রাক্তন ভারতীয় তারকাকে স্বাগত জানান পরিবারের সদস্য ও বন্ধুবান্ধবরা। তারপরেই সোশ্যাল মিডিয়ার ওয়ালে ভেসে ওঠে অশ্বিনের বাবার বিস্ফোরক মন্তব্য। তাঁর অভিযোগ, ‘হয়তো ওকে হেনস্তা করা হয়েছে!’ এমন মন্তব্য উস্কে দিয়েছে বিতর্ক। অ্যাশ অবশ্য বাবা রবিচন্দ্রনের এমন অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, ‘আসলে বাবা মিডিয়ার সামনে সড়গড় নন। তাই হয়তো নিজের বক্তব্য ঠিকঠাক বুঝিয়ে উঠতে পারেননি। সবার কাছে অনুরোধ, তাঁকে এই নিয়ে আর বিরক্ত করবেন না।’
Advertisement
সবাইকে অবাক করে অস্ট্রেলিয়া সফরের মাঝপথে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান অশ্বিন। এখানেই শেষ নয়, বুধবার অবসর ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যে দেশে ফেরার বিমানও ধরেন তিনি। বিদায়বেলায় তাঁকে ঘিরে আবেগে ভাসেন সতীর্থরা। প্রশংসায় ভরিয়ে দেন রোহিত ও বিরাট। তবে দ্রুত বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রথা মেনে কোনও নৈশভোজ বা পার্টির আয়োজন করা যায়নি। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘সম্মানের সঙ্গে অ্যাশকে শেষবারের মতো বিদায় জানানো হয়েছে। ব্রিসবেন থেকে তড়িঘড়ি ভারতে ফিরে গিয়েছে ও। তাই প্রথা মেনে কোনও নৈশভোজের আয়োজন করা যায়নি।’
বুধবার গাব্বা টেস্ট শেষ হওয়ার পর সাংবাদিক সম্মেলনে হঠাৎ নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান অশ্বিন। সাতশোর উপর আন্তর্জাতিক উইকেটের মালিক বলেন, তিনি ক্রিকেটের আর কোনও ফরম্যাটে জাতীয় দলের জার্সিতে খেলবেন না। ছেলের সিদ্ধান্তে হতচকিত পরিবারও। বাবা রবিচন্দ্রন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা ওর অবসরের পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। শেষ মুহূর্তে খবর পেয়ে হতভম্ব হয়ে যাই। সবাইকেই একদিন অবসর নিতে হয়। সেটাই স্বাভাবিক। এই ব্যাপারে আমরা হস্তক্ষেপও করতে চাইনি। তবে যেভাবে ও অবসর নিল সেটা সবাইকে অবাক করেছে। কী কারণে আচমকা এতবড় একটা সিদ্ধান্ত নিল, সেটা আমরাও জানি না। তবে নিশ্চয় কোনও কারণ আছে। অশ্বিনই বলতে পারবে। হয়তো ওকে হেনস্তা করা হয়েছে!’
বুধবার গাব্বা টেস্ট শেষ হওয়ার পর সাংবাদিক সম্মেলনে হঠাৎ নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান অশ্বিন। সাতশোর উপর আন্তর্জাতিক উইকেটের মালিক বলেন, তিনি ক্রিকেটের আর কোনও ফরম্যাটে জাতীয় দলের জার্সিতে খেলবেন না। ছেলের সিদ্ধান্তে হতচকিত পরিবারও। বাবা রবিচন্দ্রন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা ওর অবসরের পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। শেষ মুহূর্তে খবর পেয়ে হতভম্ব হয়ে যাই। সবাইকেই একদিন অবসর নিতে হয়। সেটাই স্বাভাবিক। এই ব্যাপারে আমরা হস্তক্ষেপও করতে চাইনি। তবে যেভাবে ও অবসর নিল সেটা সবাইকে অবাক করেছে। কী কারণে আচমকা এতবড় একটা সিদ্ধান্ত নিল, সেটা আমরাও জানি না। তবে নিশ্চয় কোনও কারণ আছে। অশ্বিনই বলতে পারবে। হয়তো ওকে হেনস্তা করা হয়েছে!’



